
২০২৪ সাল থেকেই গুঞ্জন ছিল তুঙ্গে। অভিনেতা জয়দীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এক ছাদের তলায় থাকছেন না তাঁর স্ত্রী শ্রেয়া। যদিও যতবার অভিনেতাকে এই নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, ততবারই তিনি বিষয়টি নয় এড়িয়ে গিয়েছেন আর নয়তো বা বলেছেন তিনি বিবাহিত। অবশেষে জানা গেল ডিসেম্বরেই ডিভোর্স হয়েছে জয়জিৎ ও শ্রেয়ার। নিজেই এই কথা জানিয়েছেন অভিনেতা।
নতুন বছরে পা দিতেই জয়জিৎ জানিয়ে দিলেন যে গত ১২ ডিসেম্বর তাঁর ও শ্রেয়ার আইনতভাবে ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে। এক সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের ডিভোর্সের কথা স্বীকার করে অভিনেতা জানিয়েছেন যে তাঁদের সন্তানের জন্য তাঁরা চাননি সম্পর্ক ভাঙার খবর প্রকাশ্যে আসুক। জয়জিৎ বলেন, দু’বছর ধরে আমরা আলাদা ছিলাম। এখানে কারও প্রতি কারও রাগ নেই, হিংসা নেই। দু’জনে যৌথ ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিয়ে ভাঙার। আমার মা-বাবাই বড় করেছে আমাদের ছেলেকে। তবে যশোজিৎকে বলেছি আমার প্রতিও যেমন ওর দায়িত্ব, কর্তব্য রয়েছে, মায়ের প্রতিও সমান দায়িত্ব, কর্তব্য রয়েছে।
অভিনেতা আরও জানিয়েছেন যে দম্পতি হিসাবে তাঁরা অনেক ভাল সময় কাটিয়েছেন। কিন্তু সম্পর্ক বিষাক্ত হওয়ার আগেই সেখান থেকে বেরিয়ে আসাই ভাল। অভিনেতা আরও জানান, এটা যেহেতু খুশির খবর নয় তাই ঢাকঢোল পিটিয়ে ঘোষণা করেননি। তাঁদের ছেলে এখন কলেজের ছাত্র। অভিনেতা চান না তাঁদের সাংসারিক বিবাদের আঁচ ছেলের উপর পড়ুক। প্রসঙ্গত, শ্রেয়ার সঙ্গে প্রেম করেই বিয়ে জয়জিতের। তাঁদের একমাত্র সন্তান যশোজিৎ এখন অনেকটাই বড়।
গত একবছর ধরেই জয়জিতের সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর রাখলেই শুধু ছেলে এবং অভিনেতার মা-বাবার ছবি-ভিডিও দেখা যাচ্ছিল। কখনও বাইরে ঘুরতে যাওয়া। কখনও আবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জমিয়ে সময় কাটানো। তবে কোনও ছবিতেই দেখা যেত না শ্রেয়াকে। ফলে বিচ্ছেদ জল্পনা আরও জোরালো হতে থাকে। কিন্তু কখনই জয়জিৎ এই নিয়ে কথা বলতে রাজি ছিলেন না। বিচ্ছেদ হলেও ছেলে যশোজিৎ থাকবেন বাবার কাছেই। এটা যশোজিতেরই সিদ্ধান্ত। তবে মায়ের কাছে যাতায়াত করবে ছেলে।