Advertisement

Sandipta Sen: 'তুমি মনে থাকবে চিরকাল', রাহুলের মায়ের সঙ্গে দেখা করলেন সন্দীপ্তা, কী কথা হল?

শ্য়ুটিং করতে গিয়ে দিঘার তালসারিতে ডুবে মৃত্যু হয় রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অভিনেতার আকস্মিক এই মৃত্যুকে কেউই মেনে নিতে পারেননি। টলিপাড়ার সকলেই শোকস্তব্ধ। টলিপাড়ার চেনা মুখ সন্দীপ্তা সেন। বেশ কিছু বছর আগে তাঁর সঙ্গে রাহুলের সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল।

রাহুলকে নিয়ে আবেগে ভাসলেন সন্দীপ্তারাহুলকে নিয়ে আবেগে ভাসলেন সন্দীপ্তা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 04 Apr 2026,
  • अपडेटेड 11:47 AM IST
  • শ্য়ুটিং করতে গিয়ে দিঘার তালসারিতে ডুবে মৃত্যু হয় রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

শ্য়ুটিং করতে গিয়ে দিঘার তালসারিতে ডুবে মৃত্যু হয় রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অভিনেতার আকস্মিক এই মৃত্যুকে কেউই মেনে নিতে পারেননি। টলিপাড়ার সকলেই শোকস্তব্ধ। টলিপাড়ার চেনা মুখ সন্দীপ্তা সেন। বেশ কিছু বছর আগে তাঁর সঙ্গে রাহুলের সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। যদিও তাঁর এই বিষয়ে কোনওদিনই কিছু বলেননি। একসঙ্গে সিরিয়ালেও কাজ করেছেন সন্দীপ্তা ও রাহুল। স্বাভাবিকভাবে সহ-অভিনেতার মৃত্যুর ঘটনায় শোকাহত সন্দীপ্তা। এবার প্রয়াত রাহুলকে নিয়ে নিজের মনের কথা উজাড় করে লিখলেন অভিনেত্রী। 

এক সময় ইন্ডাস্ট্রির ওপেন সিক্রেট ছিল রাহুল-সন্দীপ্তার সম্পর্ক। তবে সেই সম্পর্ক পরিণতি পায়নি। তার আগেই তা ভেঙে যায়। এরপর রাহুল ও প্রিয়াঙ্কার ভাঙা দাম্পত্য জোড়া লাগে। ডিভোর্স মামলা থেকে আবার তাঁরা ছেলে সহজের জন্য একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। রাহুলের সঙ্গে বেশ কয়েক বছর যোগাযোগ ছিল না সন্দীপ্তার। হয়তো অভিমানও হয়েছিল অভিনেতার প্রতি। কিন্তু অভিনেতার হঠাৎ মৃত্যু সেই সব মান-অভিমানকে গলিয়ে দিয়েছে সন্দীপ্তার। তিনি কতটা যে মর্মাহত, তা বলে বোঝানো মুশকিল। সন্দীপ্তা তাই মনের সব কথা উজাড় করে লিখলেন সোশ্যাল মিডিয়া পেজে। 

অভিনেতার মৃত্যুক কয়েকদিন পর ফেসবুকে লিখলেন সন্দীপ্তা। রাহুলের মৃত্যু বেশ গভীর ছাপ ফেলেছে অভিনেত্রীর মনে। তাঁর লেখায় উঠে এসেছে রাহুলের মৃত্যুর শোক, সঠিক তদন্তের দাবি, প্রিয়াঙ্কা-সহজের কথা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় অসংবেদনশীল বিচারসভা। সন্দীপ্তা লিখলেন, এতগুলো দিব কেটে গেল, এখনও ঠিক মেনে নিতেই পারছিনা, রাহুল আর নেই। রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জি-অত্যন্ত ভাল মানুষ, বন্ধু, গুণী অভিনেতা, সহ-অভিনেতা, লেখক, কবি...এই রকম একটা মানুষকে আমরা হারালাম। রাহুলের খুব প্রিয় একটা লাইন ছিল চন্দ্রবিন্দুর, আমরা কমতি পড়লে লোন দিই জন্মদিনে...প্রিয় লাইন যে এইভাবে সত্যি হয়ে যাবে, সেটা ভাবতেই পারিনি। সন্দীপ্তা জানিয়েছেন, তাঁর মনখারাপের শুরু আছে, তবে শেষ নেই।

এরপরই সন্দীপ্তা তাঁর লেখার মাধ্যমে জানান যে রাহুলের মৃত্যুর পর তিনি তাঁর বিজয়গড়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন। অভিনেতার মায়ের সঙ্গে দেখা করেন, পুরনো স্মৃতি, রাহুলের ছোটবেলার কথা, পছন্দের খাবার সব নিয়েই কথা হয়। সন্দীপ্তা দেখা করেন রাহুলের আদরের পোষ্য কুট্টুসের সঙ্গেও। সন্দীপ্তাকে এত বছর পরও চিনতে পেরেছে। অভিনেত্রী এরপর লেখেন, খুব কষ্ট হচ্ছে দাদার কথা, বউরাণীর কথা, রাহুলের স্কুলের বন্ধুদের কথা, আত্মীয়দের কথা, বাবলুদার কথা, সহজের কথা আর অবশ্যই প্রিয়াঙ্কার কথা ভেবে। এই কঠিন সময়ে রাহুলের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সন্দীপ্তা। একদিকে পরিবার আর অন্যদিকে সংবাদমাধ্যমের চাপ— দুই সামলে নিজের মন শক্ত রেখে প্রিয়াঙ্কা যেভাবে সবটা সামলাচ্ছেন, তাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন তিনি। তবে ১৩ বছরের ছোট্ট সহজ-এর বন্ধু-বাবাকে হারানোর যন্ত্রণা যে কোনো ভাষার অতীত, তা-ও মনে করিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী।

Advertisement

এরপরই সন্দীপ্তা সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টগুলিকে কটাক্ষ করে সোচ্চার হয়েছেন। তবে কেবল স্মৃতিচারণেই থেমে থাকেননি সন্দীপ্তা। রাহুলের মৃত্যুতে যে বড়সড় ‘গাফিলতি’ রয়েছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত। তাঁর সাফ কথা, ‘প্রপার, নিরপেক্ষ ইনভেস্টিগেশন দরকার। গাফিলতি ছাড়া এই ঘটনা ঘটতেই পারে না।’  সবশেষে সন্দীপ্তা রাহুলকে সবাই এবং তিনি যে নামে ডাকতেন তা উল্লেখ করে বলেন, কারুর কাছে সে রাহুল, কারুর কাছে অরুণোদয়, বাবিন, অরুণ ..... ভালো থাকুক রাহুল, তুমি মনে থাকবে চিরকাল ...।  

Read more!
Advertisement
Advertisement