Advertisement

Tonni Laha Roy: 'আমার সম্ভাব্য মৃত্যু দিনটা...', হঠাৎ এমন উপলব্ধি কেন হল তন্বীর?

অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যু টলিউডের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। এমন প্রতিভাবান এক অভিনেতার মৃত্যু যে এমন হতে পারে, তা হয়তো কেউই ভাবেনি। রবিবার দিঘার তালসারিতে শ্যুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয় রাহুলের। এই মৃত্যু একাধিক প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে পুরো ইন্ডাস্ট্রিকে।

তন্বী লাহা রায়তন্বী লাহা রায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 01 Apr 2026,
  • अपडेटेड 1:58 PM IST
  • অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যু টলিউডের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে।

অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যু টলিউডের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। এমন প্রতিভাবান এক অভিনেতার মৃত্যু যে এমন হতে পারে, তা হয়তো কেউই ভাবেনি। রবিবার দিঘার তালসারিতে শ্যুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয় রাহুলের। এই মৃত্যু একাধিক প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে পুরো ইন্ডাস্ট্রিকে। বিশেষ করে টেলিভিশনের সঙ্গে যাঁরা যুক্ত, তাঁরা এখন আউটডোরে শ্যুটিং করতে যেতেও ভয় পাচ্ছেন। এরই মাঝে মৃত্যু নিয়ে নিজের মনের কথা লিখলেন তন্বী লাহা রায়। 

২০২৪ সালেই নিজের মাকে হারিয়েছেন তন্বী। চোখের সামনেই মায়ের মৃত্যু দেখেছেন অভিনেত্রী। তাই মৃত্যু নিয়ে তাঁর উপলব্ধি একটু অন্যরকমের। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে তন্বী আবেগতাড়িত হয়ে লিখলেন, আমাদের মৃত্যু দিনটাও এই ক্যালেন্ডারের ৩৬৫ দিনের মধ্যেই কোথাও ঘাপটি মেরে আছে, প্রতি বছর আমার সম্ভাব্য মৃত্যু দিনটা কীভাবে কাটাচ্ছি! নো আইডিয়া! অবহেলা করে নিশ্চয়ই! কিন্তু দিনটা একদিন হঠাৎ এসে হাজির হবে, কিন্তু কিছু করার থাকবে না...। তন্বী আরও বলেন, তখন কত না বলা কথা হারিয়ে যাবে, না করা কাজ পড়ে থাকবে, আর না জানা সত্যি লুকিয়েই থাকবে। 

২০২৪ সালের মে মাসে মাকে হারান তন্বী। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন হাসপাতালে কীভাবে তিনি তাঁর মায়ের হাত শক্ত করে ধরে বসেছিলেন। অভিনেত্রীর চোখের সামনেই তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে। মায়ের মৃত্যুতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তন্বী। কারণ মায়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল সবচেয়ে দৃঢ়। চোখের সামনে মায়ের শেষযাত্রায় হওয়া সমস্ত কিছু দেখেছেন অভিনেত্রী। প্রতিবছর মায়ের মৃত্যুদিনটায় অভিনেত্রী একেবারে নিজের মতোই থাকেন। তাই রাহুলের আকস্মিক মৃত্যুর খবরে তন্বী নিজেও কিছুটা বিধ্বস্ত।  

কাছের মানুষটা চলে গেলে তাঁকে ধরে রাখা যায় না। কিন্তু, তাঁর স্মৃতি আগলে থাকা যায়। শুধু তাই নয়, অভিনেত্রী এখন মায়ের ছবি কোলে নিয়েই ঘোরেন। মা চলে যাওয়ার পর অনেককিছু দেখলেন, অনেক মানুষকে চিনলেন। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি গোটা ইন্ডাস্ট্রি। শ্যুটিং করতে গিয়ে এমন ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে, তা কেউ ভাবতেই পারেনি। সোমবার রাহুলের বিজয়গড়ের বাড়িতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। সকলেই শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন অভিনেতাকে। এরপর কেওড়াতলা মহাশ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।  

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement