
বাংলা ধারাবাহিকে 'নিম ফুলের মধু' সিরিয়ালটি দর্শকদের খুব কাছের ছিল। এই সিরিয়ালের প্রতিটি চরিত্রই যেন বাঙালি ঘরের দর্শকদের অত্যন্ত প্রিয় হয়ে উঠেছিল। টিআরপি তালিকায় এই সিরিয়াল একটা সময় ভাল ফল করলেও মাঝে সেভাবে জায়গা করে নিতে পারেনি। তবে দর্শকদের পছন্দের সিরিয়ালের তালিকায় নিম ফলের মধু সবসময় জায়গা পেয়ে এসেছে। একমাস হল এই সিরিয়াল বন্ধ হয়েছে। কিন্তু তা বলে 'নিম ফুলের মধু'র সদস্যদের যোগাযোগ কমেনি। রবিবার ছিল সেরকমই একটা দিন। 'দত্ত বাড়ি'র সব সদস্যেরা এদিন একসঙ্গে হলেন। কাটা হল কেক আর চলল দেদার আড্ডা।
এদিন 'নিম ফুলের মধু' সিরিয়ালের প্রধান চরিত্রে থাকা পর্ণা তথা পল্লবী শর্মা বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়া পেজে। পল্লবীর শেয়ার করা ছবিতে দেখা গিয়েছে, পর্দার পর্ণা এদিন সবুজ রঙের শাড়ি ও লাল রঙের স্লিভলেস ব্লাউজ পরেছেন। সঙ্গে মানানসই গয়না, চুল বাধা ও কানে লম্বা দুল। মেকআপ একেবারেই নামমাত্র। অন্য ছবিতে দেখা গিয়েছে কেক কাটার পর্ব চলছে। সঙ্গে রয়েছেন পর্ণার অনস্ক্রিন শ্বশুর ও শাশুড়িরা, বড় ভাসুর তথা তনুশ্রী, অরিজিতা, অর্ঘ্য, অখিলেশরা।
'দত্ত বাড়ি'র সদস্যের কারোর বাড়িতেই এই রিইউনিয়নের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। যেখানে 'দত্ত বাড়ি' লেখা কেকও কাটা হয়। তবে অনেকেই এদিনের রিইউনিয়নে যোগ দিতে পারেননি। 'নিম ফুলের মধু' শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সৃজন তথা রুবেল দাস 'তুই আমার হিরো' সিরিয়ালে অভিনয় করার সুযোগ পেয়ে যান। তাই শ্যুটিংয়ের কারণে তিনি এই রিইউনিয়নে যোগ দিতে পারেননি। অপরদিকে, পর্ণার অনস্ক্রিন জা মৌমিতা তথা মানসী সদ্যই মা হয়েছেন। তাই তিনিও এই রিইউনিয়নে যোগ দিতে পারেননি।
মার্চেই শেষ হয়েছে 'নিম ফুলের মধু' সিরিয়াল। শেষ শ্যুটিংয়ের দিন গোটা টিম মিলে খাওয়া-দাওয়া করেন। কিন্তু সেই সময়ও রুবেল ও মানসীকে দেখা যায়নি। ছিলেন না বর্ষীয়ান নায়িকা লিলি চক্রবর্তীও। যদিও ধারাবাহিকের গল্প লিপ নেওয়ার পর, অসুস্থতার কারণে সরে দাঁড়ান বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। প্রসঙ্গত, প্রায় আড়াই বছর ধরে চলেছিল এই নিম ফুলের মধু সিরিয়াল। এই সিরিয়ালের প্রতিটি চরিত্রের সঙ্গে দর্শকদের নিবিড় যোগ ছিল। খুব জনপ্রিয় হয়েছিল পর্ণা ও রুবেলের জুটি। এমনকী, বরাবরই রাত ৮টার স্লট দখলে রেখেছিল নিম ফুলের মধু। এরপর ২০২৪ সালের অগস্ট মাসে আচমকাই ৬০০ এপিসোড পার করার পর, বিকেল ৬.৩০-এ পাঠিয়ে দেওয়া হয় এই ধারাবাহিককে। তারপর থেকে বেশিরভাগ সপ্তাহেই স্লটহারা। টিআরপি-তেও সেরা দশ থেকে যায় ছিটকে।