
ঋতাভরী চক্রবর্তীর আনন্দ যেন বাঁধ ভাঙা। আর হবেই না কেন, মাসি হতে চলেছেন তিনি। মা হচ্ছেন ঋতাভরীর বোন তথা অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা শতরূপা। কিছুদিন আগেই নিজের প্রেগন্যান্ট হওয়ার খবরে সিলমোহর দিয়েছেন অভিনেত্রী। এখন কলকাতাতেই রয়েছেন ঋতাভরীর দিদি। তাই মা শতরূপা সান্যাল যে তাঁকে সাধ খাওয়াবেন না তা কী করে হয়। একেবারে ঘরোয়াভাবেই সাধের অনুষ্ঠান হল চিত্রাঙ্গদার।
সাধের দিন চিত্রাঙ্গদাকে দেখা গেল গোলাপি রঙের শাড়ি ও সেই রঙের স্লিভলেস ব্লাউজে। খোঁপা করা চুল, হালকা মেকআপ ও গয়নায় স্নিগ্ধ লাগছিল চিত্রাঙ্গদাকে। বেবিবাম্প একেবারে স্পষ্ট অভিনেত্রীর। দিদির বেবিবাম্প আগলে দেখা গেল ঋতাভরীকে। তিনি পরেছিলেন হলুদ রঙের শাড়ি। চিত্রাঙ্গদার সাধের মেনুতে ছিল ফিসফ্রাই, মাছের পাতুরি, সাদা ভাত, ভাজা, ডাল, মাটন, মিষ্টি ও পায়েস। হাসিমুখে দেখা গেল চিত্রাঙ্গদাকে। ঋতাভরী মা ও দিদির সঙ্গে ছবি তুলে পোস্ট করেছেন।
বাড়িতে নতুন অতিথি আসার আনন্দ চক্রবর্তী পরিবারে। সাধের অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে চিত্রাঙ্গদার স্বামী সম্বিতকেও। প্রসঙ্গত, বেশ কয়েক মাস ধরেই চিত্রাঙ্গদার মা হওয়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু এই নিয়ে ঋতাভরী, শতরূপা বা চিত্রাঙ্গদা তিনজনের কেউই মুখ খোলেননি। সম্প্রতি সি বিচে বেবিবাম্পের ছবি পোস্ট করে চিত্রাঙ্গদা তাঁর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। মাসি হওয়ার অপেক্ষায় এখন থেকেই প্রহর গুনছেন ঋতাভরী।
২০২২ সালের শেষে দীর্ঘদিনের বন্ধু সম্বিত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন চিত্রাঙ্গদা। বিয়ের ৪ বছর পর তাঁদের কোলে আসছে নতুন অতিথি। ঋতাভরীর মতো তাঁর দিদিও অভিনয়ে পারদর্শী। তবে বাণিজ্যিক ছবির চেয়ে নায়িকার ঝুলিতে রয়েছে অন্য রকমের ছবি। সিনেমা, সিরিজ সবেতেই দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন। চিত্রাঙ্গদা ও সম্বিত দীর্ঘদিনের বন্ধু। তাঁদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল ২০২১ সালেই। কিন্তু করোনার জন্য পিছিয়ে যায় সেই বিয়ে। ২০২২ সালে অবশেষে তাঁদের বিয়ে হয়। সম্বিত পেশায় সঙ্গীতশিল্পী। সম্বিত বিশিষ্ট তবলাবাদক পণ্ডিত শুভেন চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে। আপাতত খুদে অতিথির আসার অপেক্ষায় রয়েছেন সকলে।