
চুটিয়ে প্রেম করছেন টলিপাড়ার নায়িকা দিতিপ্রিয়া রায়। আর কার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন তাও সবাই জানে। যদিও নিজের মুখে প্রেমিকের নাম ধাম কিছুই বলেননি নায়িকা। কিন্তু বহুদিন আগে থেকেই সবাই জেনে গিয়েছে যে কার সঙ্গে প্রেম করছেন নায়িকা। মাঝে মাঝেই দিতিপ্রিয়া ও তাঁর প্রেমিক ছবি শেয়ার করেন, যেটা দেখে বোঝাই যায় যে তাঁরা একসঙ্গেই রয়েছেন। প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে এবার চেন্নাই থেকে কলকাতায় উড়ে এলেন নায়িকার ফুটবলার প্রেমিক।
২০২৪ সালে দোলের দিন দিতিপ্রিয়া তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে জানান যে তিনি সম্পর্কে রয়েছেন। যদিও সেই সময় দিতিপ্রিয়া তাঁর প্রেমিকের নাম, কী করে সে, তা কিছুই জানাননি। তবে এইসব খবর তো আর চেপে রাখা যায় না। দিতিপ্রিয়ার ফুটবলার প্রেমিকের নাম শমীক মিত্র। তিনি আদপে উত্তরবঙ্গের ছেলে হলেও কর্মসূত্রে তাঁকে চন্নাইতে থাকতে হয়। চেন্নাইয়িন এফসির বাঙালি ফুটবলার শমীক মিত্রর সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন দিতিপ্রিয়া। চেন্নাইয়িন এফসির গোলকিপার শমীক। ২৩ বছরের শমীক ২০২০ সালে ইন্ডিয়ান অ্যারোজ থেকে মেরিনা মাচানসে যোগ দিয়েছিলেন। পরে চেন্নাইয়িন এফসি-র অংশ হন। আপতত ২০২৭ সাল পর্যন্ত দক্ষিণের এই ফুটবল ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ তিনি।
লং ডিসট্যান্স সম্পর্ক হলেও দিতিপ্রিয়ার সঙ্গে মাঝে মধ্যেই দেখা করতে চলে আসেন শমীক। নায়িকার মা-বাবাও এই সম্পর্কে খুশি। সম্প্রতি চেন্নাই থেকে কলকাতায় এসেছেন শমীক। আর যে ছবি তিনি পোস্ট করেছেন, তা দেখে সকলেই বলে দিতে পারবে যে তিনি প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে তাঁর বাড়িতে গিয়েছেন। এক পোষ্যকে নিয়ে শমীক ছবি পোস্ট করেছেন ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে। আর সেই পোষ্যটি দিতিপ্রিয়ার আদরের পপকর্ন। মাঝে মধ্যেই নায়িকার সঙ্গে এই পোষ্যের দেখা মেলে।
শমীকের এই পোস্ট বলে দিচ্ছে, তিনি দিতিপ্রিয়ার সঙ্গে দেখা করতেই এসেছেন। এক কমন ফ্রেন্ডসের মাধ্যমে আলাপ হয় দিতিপ্রিয়া ও শমীকের। এরপর সেই আলাপ ক্রমে সম্পর্কে পরিণত হয়। তবে এখনই সকলের সামনে শমীককে নিয়ে আসতে রাজি নন দিতিপ্রিয়া। তাই একসঙ্গে সেভাবে ছবিও পোস্ট করেন না তাঁরা। অভিনয় ও পড়াশোনা দুটোই একসঙ্গে চালিয়ে গিয়েছেন দিতিপ্রিয়া। সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর হয়েছেন তিনি। টেলিপাড়ায় দিতিপ্রিয়াকে সকলে চেনে শান্তস্বভাবের মেয়ে হিসাবেই। নিজের কাজ ছাড়া বিশেষ কোনওদিনেই মাথা ঘামান না। পড়াশোনা, পরিবার-এইসবই ধ্যানজ্ঞান তাঁর। আর এখন সেখানে নতুন সংযোজন তাঁর ফুটবলার প্রেমিক শমীক, যিনি দিতিপ্রিয়ার খারাপ সময়ে তাঁকে আগলে রেখেছিলেন।