
সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে এখন চর্চার একটাই নাম সুস্মিতা রায়। নিজের বিয়ের ছবি পোস্ট করার পর থেকেই তাঁকে নিয়ে প্রাক্তন শ্বশুরবাড়ির তীর্যক কটাক্ষ, পাল্টা দিতে ছাড়েন নি সুস্মিতাও। প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে কদর্য অভিযোগ এনে লাইভ ভিডিও করেন। সায়ক-সুস্মিতার অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ সবটা নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে জোর তরজা। এরই মধ্যে কিছু অভিনেতা-অভিনেত্রী এই নিয়ে আপত্তি তুলেছেন সোশ্যাল মিডিয়াতেই। সেই তালিকায় যোগ হল শ্রীময়ী চট্টরাজের নাম। নাম না করে সুস্মিতাকে কটাক্ষ করতেই শ্রীময়ীর দিকে ধেয়ে এল একের পর এক মন্তব্য।
শ্রীময়ী সোশ্যাল মিডিয়াতে কারোর নাম না করে লেখেন, 'সোশ্যাল মিডিয়াটা নর্দমা হয়ে গেছে, বলতে লজ্জা লাগে যে নর্দমাও পরিষ্কার করা হয় নিয়মিত কিন্তু মানুষ এত নীচে নেমে যাচ্ছে যে ব্যক্তিগত বিষয়গুলিকে সোশ্যাল মিডিয়াতে বেচতে বসেছে, আর কিছু কিছু অমানুষ আছে, যারা এমনভাব করে যে সোশ্যাল মিডিয়ার বিচারক তারা, নোংরা জিনিসগুসো নিয়ে তারা আবার তাদের মন্তব্য পেশ করছে।' প্রাক্তন বিধায়কের স্ত্রী আরও লেখেন, 'সত্যি মানুষের কাজের খুব অভাব, এত নোংরা মানসিকতার লোক পৃথিবীতে আছে, সেটা জানতেই পারতাম না যদি সোশ্যাল মিডিয়া নামে নর্দমা সংস্কৃতি না চালু হত...না চাইলেও বার বার ফিডে ঘোরাঘুরি করছে, লজ্জাজনক ছিঃ।'
আর শ্রীময়ী এই পোস্ট করতেই তাঁকে নিয়ে শুরু হয়ে যায় ব্যাপক ট্রোল। কেউ লেখেন, আপনিও এই নর্দমার একজন কনট্রিবিউটার, কে কাকে বলছে। আবার কেউ বলছেন, আপনিও সেই নর্দমা কালচারের একজন, কে কাকে বলছে। আবার কেউ লিখলেন, ৩ টে বিয়ের রেকর্ড ভেঙে ৫টা করে নিল, রাগ করবেন না। আবার কেউ লিখলেন, ৩টে বিয়ের রেকর্ড ভেঙে দিয়ে ৫টা বিয়ে করে নিল, রাগ তো হতেই পারে। আবার কেউ লিখলেন, হিংসা না করে চেষ্টা করুন, আপনিও পারবেন। নোংরামিতে আপনার রেকর্ডও নেহাৎ মন্দ নয় বলেই তো জানি। প্রসঙ্গত, শ্রীময়ীর এটা প্রথম বিয়ে হলেও কাঞ্চনের এটা ৩টে বিয়ে। আগের দুটো বিয়ে ভাঙার পর তিন নম্বর বিয়ে কাঞ্চন করেন শ্রীময়ীর সঙ্গে।
গত কয়েকদিন ধরে সায়ক ও তাঁর পরিবার নিয়ে চর্চা একেবারে তুঙ্গে। সায়কের প্রাক্তন কূটনী বৌদি সুস্মিতা রায় বিয়ে করতেই আলোচনা শুরু হয়ে যায়। একসময় অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তীর দাদার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে ছিলেন সুস্মিতা। তবে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তারপর কেন তাঁদের বিচ্ছেদ সেই নিয়ে সুস্মিতা বা সব্যসাচী কেউই মুখ খোলেননি। এরপর চলতি মাসে সুস্মিতা ফের বিয়ের পিঁড়িতে বসতে সায়ক, বৌদি সুস্মিতার সাধের একটি পুরানো ছবি পোস্ট করেন। এরপর তাঁদের মধ্যে নানা সমস্যা শুরু হয়। বিচ্ছেদের কারণ জানিয়ে সুস্মিতা সায়ক, সায়কের দাদা ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনেন। আর এই নিয়ে স্যোশাল মিডিয়া রীতিমতো সরগরম হয়ে ওঠে।