
টলিপাড়ার পাওয়ার কাপলদের মধ্যে এই দম্পতির নাম না নিলেই নয়। দুজনেই টলিউডের ভীষণ চেনা মুখ এবং অভিনয়ের দিক থেকে কতটা যে দক্ষ তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। মঞ্চ থেকে শুরু করে জীবনের রঙ্গমঞ্চ... তাঁরা যেন একে অপরের পরিপূরক। সেই দম্পতি তাঁদের বিবাহবার্ষিকীর দিনে নিজেদের অদেখা ছবি শেয়ার করলেন সোশ্যাল মিডিয়া পেজে। যাঁদের এক ঝলক দেখলেই চেনা যাবে। যদিও এই ছবি তাঁদের বিয়ের আগে তোলা, তা বোঝাই যাচ্ছে।
পরনে চেক শার্ট, ঠোঁটের ওপর গোঁফ, হাসিমুখে পোজ দিয়েছেন এই অভিনেতা। পাশে ছিপছিপে গড়নের মিষ্টি মুখের মেয়ে, যিনি কমলা রঙের শাড়ি পরে রয়েছেন, কপালে টিপ। দুজনেই ক্যামেরার দিকে পোজ দিয়ে ছবি তুলেছেন। আসলে সেই সময়ে মোবাইল ফোন ছিল না, তাই ছবি তুলতে হলে কোনও স্টুডিওতেই যেতে হত। এই ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখা, আমরা কথা দিয়েছিলাম একসঙ্গে চলার এবং একসঙ্গে বৃদ্ধ হওয়ার। পাশাপাশি চলার শুভ ৩১টা বছর। ছবিতে থাকা এই দম্পতি হলেন কৌশিক ও রেশমি সেন। এটা সম্ভবত তাঁদের কলেজে পড়ার সময়কার ছবি।
পায়ে পায়ে বিয়ের ৩১ বছর পার করে ফেলেছেন কৌশিক ও রেশমি। দুজনেই মঞ্চ থেকে শুরু করে ছোটপর্দা ও বড়পর্দায় দাপিয়ে অভিনয় করেছেন। রেশমিকে ছোটপর্দায় অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে এখন। অপরদিকে, কৌশিক সেন বড়পর্দাতে অভিনয় করে সকলের মন জয় করে নিয়েছেন। তাঁদের একমাত্র ছেলে ঋদ্ধিও অভিনয় পেশার সঙ্গে যুক্ত। মঞ্চ, ছোট পর্দা, বড় পর্দা হোক কিংবা ওটিটি, টলিপাড়ার এই পাওয়ার কাপল সব মাধ্যমেই অত্যন্ত দক্ষ ভাবে কাজ করে সকলের মন জয় করেন।
প্রসঙ্গত, প্রায় পাঁচ বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন কৌশিক- রেশমী। যখন প্রেমের শুরু হয়েছিল, সেসময় একজনের মাধ্যমিক শেষ এবং অপরজন উচ্চমাধ্যমিক দেবে। ১৯৯৫ সালে বিয়ে করেন জুটি। বিয়ের পর কৌশিকের মা- চিত্রা সেনের সঙ্গে খুব একটা ভাল সম্পর্ক ছিল না রেশমীর। ২০০৮ সালে বাড়ি ছেড়ে আলাদা সংসার শুরু করেন। এরপর থেকে চুটিয়ে সংসার, কাজ। কৌশিককে ভালোবেসে বাবান নামে ডাকেন রেশমি আর স্ত্রীকে আদর করে বুরু নামে ডাকেন অভিনেতা।