স্পষ্ট কথায় কষ্ট নেই গোছের অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। যখন যেটা মনে হয় সেটাই বলে ফেলেন তিনি। তাই টলিপাড়ায় স্পষ্টবক্তা হিসাবেই পরিচিত অভিনেত্রী। যখন যেটা মনে হয় সেটাই করে থাকেন স্বস্তিকা। আর ট্রোল হলেও সেটা নিয়েও মুখ খুলতে ছাড়েন না অভিনেত্রী। আসলে তিনি নিজের শর্তে বাঁচেন। তাই কটাক্ষ-ট্রোল কোনওকিছুই মেনে নিতে পারেন না। সপাটে জবাব দিয়ে দেন। সম্প্রতি এক ট্রোলারকে মোক্ষম জবাব দিলেন স্বস্তিকা।
সম্প্রতি মা-বাবাকে নিয়ে পোস্ট করেছিলেন স্বস্তিকা। যেখানে তাঁর বাড়ির ঠাকুরের আসনে গণেশের মূর্তি সহ বেশ কিছু দেব-দেবীর সঙ্গে রয়েছে তাঁর অভিনেতা বাবা সন্তু মুখোপাধ্যায় ও মায়ের ছবি। সেই ছবি পোস্ট করে স্বস্তিকা লেখেন, বাড়ির ঠাকুর। রোজই পুজো করি। মা-বাবারা তারাদের দেশে পাড়ি দিলে তাদের স্থান ঠাকুরের আসনেই। সেদিন কে যেন একটা দারুণ কথা বলল-যখন অভিভাবকেরা মারা যান তখন আমরা অতিরিক্ত দুটো ঈশ্বর পাই, যাঁরা শুধুমাত্র আমাদের। গণেশ চতুর্থীতে গণেশ, জগন্নাথ, সরস্বতী, শিব, বুদ্ধ, বাবা, মা সবার উদযাপন।
এই পোস্ট করার পর স্বস্তিকার প্রশংসা যেমন করা হয় তেমনি তাঁর দিকে কটাক্ষও ধেয়ে আসে। সেখানে এক ব্যবহারকারি স্বস্তিকাকে লেখেন, তোমার বাবার একটা ভাল দেখে ফটো করতে পারোনি। আসলে স্বস্তিকার ঠাকুরের আসনে সন্তু মুখোপাধ্যায়ের পুরনো ছবি রয়েছে। আর সেটা দেখেই কটাক্ষ আসে সন্তুর মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের দিকে। তবে চুপ করে বসে থাকার পাত্রী নন স্বস্তিকা। সপাটে জবাব দেন তিনি। অভিনেত্রী প্রথমে বলেন,আমার বাবার কোন ফটোটা ভাল সেটাও কি আপনারা ঠিক করবেন? এরপর অভিনেত্রী আরও বলেন, আপনার পছন্দ মতো একটা ফটোশুট করিয়ে রাখুন, আপনার বাবা, মায়ের। ভাল ফটো না থাকলে আপনার সমস্যা হবে। মা, বাবা তো সারাজীবন কারও থাকে না। ছবিই থেকে যাবে। ওটাই গুরুত্বপূর্ণ। ফটোগ্রাফার, মেকআপ আর্টিস্ট লাগলে বলবেন, আমি নম্বর দিয়ে দেব।
এর আগেও স্বস্তিকা তাঁকে নিয়ে করা ট্রোলের জবাব দিতে পিছুপা হননি। বরাবর কটাক্ষের মোক্ষম উত্তর তিনি দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রী কোনও কিছু পোস্ট করলেই সেটা নিয়ে ট্রোল-কটাক্ষ হয়ে থাকে। এর আগেও আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে রাস্তায় নামা নিয়ে স্বস্তিকাকে চূড়ান্ত ট্রোলের মুখে পড়তে হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ও চুপ করে না থেকে স্বস্তিকা ট্রোলারদের একহাত নিয়েছিলেন। এই মুহূর্তে মুম্বইতে রয়েছেন স্বস্তিকা। পোষ্য সাবিত্রীকে নিয়ে গণেশ চতুর্থী উদযাপন করেছেন।