
'ঝিন্টি তুই বৃষ্টি হতে পারতিস,' 'লাল মাটির সরানে', 'ধরব ধরব করছি'-র মতো গানগুলি আজও বাঙালির মনে গেঁথে আছে। বারবার সকলের মন জয় করেন। মঞ্চ, প্লেব্যাক হোক কিংবা অ্যালবাম, তাঁর গান হিট। তিনি মঞ্চে থাকলে, দর্শক- শ্রোতারা বাকি সব ভুলে যান। শিলাজিৎ মজুমদারকে নিয়ে। এবার প্রথমবার ছোটপর্দায় মুক্তি পাচ্ছে তাঁর নতুন গান। 'লাখ টাকার লক্ষ্মী লাভ'-র মার্চ মাসের ফিনালে পর্বে নিজের নতুন গান 'চানাচুর' প্রকাশ করবেন শিলাজিৎ।
গ্রামীণ বাংলার নিজের আইকনিক ভাদু ও ঝুমুর গানের জন্য সুপরিচিত প্রবীণ লোকসঙ্গীত শিল্পী রতন কাহারের কথায় রচিত হয়েছে 'চানাচুর'। বাংলার লোকসঙ্গীতের শিকড়ের সুরের সঙ্গে শিলাজিতের নিজস্ব ও স্বতন্ত্র সঙ্গীতশৈলীর এক অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটেছে এই গানটিতে। 'লাখ টাকার লক্ষ্মী লাভ'-র বিশেষ পর্বে শিলাজিৎ ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন রতন কাহার নিজেই।
২০২৪ সালে মহিলাদের জন্য শুরু হয়েছিল 'লাখ টাকার লক্ষ্মী লাভ'। সঞ্চালনার দায়িত্বভার পালন করছেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী। লক্ষ লক্ষ টাকা আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মহিলারা। এই গেম শোয়ের জনপ্রিয়তা এখন বাংলার ঘরে ঘরে। জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখেই নব রূপে, নব সাজে,আরও বড়ভাবে এখন দেখা যাচ্ছে 'লাখ টাকার লক্ষ্মীলাভ'।
বাংলার সব মহিলারাই এই খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারেন অডিশনের মাধ্যমে। 'লাখ টাকার লক্ষ্মীলাভ'-র প্রতি রাউন্ডেই খেলার শেষে প্রতিযোগীদের জন্য থাকে নগদ টাকার পুরস্কার। একেবারে ফাইনাল রাউন্ডে বিজয়িনীর জন্য থাকে এক লক্ষ টাকার নগদ পুরস্কার। প্রতি পর্বে তিনজনের বদলে চারজন করে প্রতিযোগী থাকেন। কাউকেই খালি হাতে ফিরতে হয় না।
মাঝে মধ্যে এই শো-তে খেলতে আসেন তারকারা। গল্প,আড্ডা, নাচে-গানে পর্ব জমে ওঠে। তারকারা অবশ্য সব টাকা নিয়ে যান না। তাঁদের টাকা নিয়েই তৈরি হয়েছে 'লক্ষ্মী ব্যাঙ্ক'। সেই'লক্ষ্মী ব্যাঙ্ক'-র টাকা থেকে কয়েকজন লড়াকু মহিলাদের প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হয় টাকা, যাতে তাঁরা তাঁদের স্বপ্নপূরণের দিশা খুঁজে পান। শিলাজিতের এই বিশেষ পর্বটি দেখা যাবে সান বাংলায়, ৩১ মার্চ সন্ধ্যা ৭টায়।