Advertisement

Anjan Rupa New Movie: ৩১ বছর পর ফের জুটিতে অঞ্জন, রূপা! সমাজের কঠিন সত্যি ফুটে উঠবে গল্পে

New Bengali Movie: 'যুগান্ত'-র পরে বেশ কিছু ছোট ছবিতে অঞ্জনের পরিচালনায় কাজ করেছেন রূপা। তবে জুটি বেঁধে কাজ তিন দশক পরে। একগুচ্ছ তাবড় অভিনেতাদের নিয়ে আসছে নতুন ছবি। 

'প্রত্যাবর্তন'-এ রূপা- অঞ্জনের লুক (ছবি: সংগৃহীত)'প্রত্যাবর্তন'-এ রূপা- অঞ্জনের লুক (ছবি: সংগৃহীত)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 30 Jan 2026,
  • अपडेटेड 7:36 PM IST

১৯৯৫ সালে বড়পর্দায় নতুন জুটি বেঁধেছিলেন অঞ্জন দত্ত ও রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। ছবির নাম 'যুগান্ত'। পরিচালনা করেছিলেন অপর্ণা সেন। দীর্ঘ ৩১ বছর পরে বড়পর্দায় ফিরছে সেই জুটি। নতুন ছবির নাম 'প্রত্যাবর্তন'। এবার পরিচালনার দায়িত্বভার সামলাচ্ছেন নব্য পরিচালক সমর্পণ সেনগুপ্ত। একগুচ্ছ তাবড় অভিনেতাদের নিয়ে আসছে নতুন ছবি। 

'যুগান্ত'-র পরে বেশ কিছু ছোট ছবিতে অঞ্জনের পরিচালনায় কাজ করেছেন রূপা। তবে জুটি বেঁধে কাজ তিন দশক পরে। শ্রী অভিজ্ঞান ড্রিমওয়ার্কস প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যানারে আসছে। অঞ্জন, রূপা ছাড়াও শিলাজিৎ মজুমদার, অপরাজিতা আঢ্য, খরাজ মুখোপাধ্যায়, কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌরব তপাদার, দেবরঞ্জন নাগ, অরুণাভ খাসনবিশ, দীপাঞ্জন ঘোষ, রূপা ভট্টাচার্য, ডা. কৌশিক ঘোষ, অলোক সান্যাল, সুপ্রভ টেগোর, রানা বাসু ঠাকুরের মতো শিল্পীরা অভিনয় করছেন এই ছবিতে।

 

আরও পড়ুন

 পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামে বড় হওয়া ডঃ দীপঙ্কর সান্যাল, তাঁর স্ত্রী শালিনী ও তিন বছরের মেয়েকে নিয়ে মফস্বলের একটি মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপনার চাকরি ছেড়ে কলকাতায় চলে আসেন প্র্যাকটিস করতে। উদ্দেশ্য, শুধু ভাল থাকা, বড় হওয়া এবং বাকি সব উন্নত শহুরে সন্তানদের মতো তাঁদের সন্তানকেও সব সুযোগ-সুবিধা দিয়ে বড় করে তোলা। দিনে দিনে শহুরে বিলাসিতা, প্রতিপত্তির মোহ আর আরও উন্নতির নেশা গ্রাস করে সান্যাল দম্পতিকে, আর নিজেরাই ভুলতে বসেন নিজেদের। এভাবেই কেটে যায় বারোটা বছর, আর কখন যেন নিজেদের অজান্তেই তাঁদের সেই ছোট্ট সুখী পরিবারকে গ্রাস করে আজকের আধুনিক আত্মকেন্দ্রিকতা। এরপর লড়াই শুরু হয়—প্রথমে নিজেদের ভুলের সঙ্গে, তারপর গোটা সমাজের সঙ্গে। এভাবে এগোতে থাকে ছবির গল্প।

 

পরিচালক বলেন, "আপনি সময়কে গুরুত্ব দেবেন, নাকি আপনার গুরুত্বগুলোকে সময় দেবেন? এই ছোট্ট কিন্তু বড্ড কঠিন প্রশ্নের উত্তরের প্রতিচ্ছবি হল ‘প্রত্যাবর্তন’। এই গল্প কোনও একক পরিবারের নয়—এ আমাদের সময়ের গল্প। দ্রুত বদলে যাওয়া শহর, সাফল্যের দৌড়, সোশ্যাল মিডিয়ার ঝলকানি আর ভাল থাকার সংজ্ঞার ভেতরে হারিয়ে যাওয়া মানুষের গল্প। আমার ছবির প্রতিটা চরিত্র কোনও কাল্পনিক চরিত্র নয়, তারা আমাদেরই প্রতিবিম্ব। আজকের শহুরে ভারতের প্রতিটি ঘরের ভেতরের একাকিত্বের প্রতিনিধি তারা—যারা চাইছে আবার কথা বলতে, শুনতে, বাঁচতে।" 

Advertisement

 

তিনি যোগ করেন ,"এই ছবি কোনও 'মেসেজ সিনেমা' হতে চায় না। দর্শককে দোষী করে না, বরং আয়নার সামনে দাঁড় করায়। আমি চাই দর্শক থিয়েটার থেকে বেরিয়ে শুধু গল্প নয়—নিজেদের জীবন, নিজেদের সম্পর্ক এবং নিজেদের ভালো লাগাগুলোকেও সঙ্গে করে নিয়ে যাক। 'প্রত্যাবর্তন' মানুষের অদম্য জীবনীশক্তি এবং প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে জয়ী হওয়ার গল্প। জীবন যতই কঠিন আঘাত হানুক না কেন, মানুষের অদম্য প্রাণশক্তি এবং জীবনের প্রতি ভালোবাসা তাকে কখনও পরাজিত হতে দেবে না—তাকে ঠিক করেই রাখবে 'অপরাজিত'।" 


 

Read more!
Advertisement
Advertisement