Advertisement

Soumitrisha Adrit Gossips: প্রসেনজিতের পার্টিতে সৌমিতৃষা, আদৃত! মান- অভিমান মিটে কথা হল চর্চিত জুটির?

Tollywood Gossips: ইন্ডাস্ট্রির পার্টি, তাই স্বাভাবিকভাবেই হাজির থাকবেন বহু 'প্রাক্তন- বর্তমান' জুটি। যেমন সেখানে ছিলেন দেব, শুভশ্রী, রাজ, মিমি, ইমন, শোভন, সোহিনী, রণজয়রা। তবে এরকমই আরও এক চর্চিত জুটির দেখা হল এদিন।

আদৃত রায়, সৌমিতৃষা কুণ্ডুআদৃত রায়, সৌমিতৃষা কুণ্ডু
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 10 Feb 2026,
  • अपडेटेड 12:08 PM IST

তারকাদের সমীকরণ বোঝা খুবই কঠিন। এই আড়ি, আবার এই ভাব। যদিও লাইটস, ক্যামেরার সামনে তাঁরা যাই করেন, বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই সেটা 'ইমেজ' রক্ষার্থে। কোনও ক্ষেত্রে প্রাক্তনদের সুসম্পর্ক দেখা যায়, আবার 'আদায় কাঁচকলায়' সম্পর্কও সকলের চোখে পড়ে টিনসেন টাউনে। যেমনটা সম্প্রতি দেখা গেল শহরের এক পার্টিতে। 

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পদ্মশ্রী সম্মান প্রাপ্তির জন্য তাঁর ছেলে তৃষাণজিৎ (মিশুক), তাঁদের বাড়ি 'উৎসব'-এ এক পার্টির আয়োজন করেছিলেন। সেখানে উপস্থিত ছিল এক প্রকার গোটা টলিউড। ইন্ডাস্ট্রির পার্টি, তাই স্বাভাবিকভাবেই হাজির থাকবেন বহু 'প্রাক্তন- বর্তমান' জুটি। যেমন সেখানে ছিলেন দেব, শুভশ্রী, রাজ, মিমি, ইমন, শোভন, সোহিনী, রণজয়রা। তবে এরকমই আরও এক চর্চিত জুটির দেখা হল এদিন। অনেকের মনের প্রশ্ন, এতদিন পরে দেখা হয়ে তাঁরা কি কথা বললেন, ছবি তুললেন?

কথা হচ্ছে 'মিঠাই' জুটি সৌমিতৃষা কুন্ডু, আদৃত রায়কে নিয়ে। প্রসেনজিতের পার্টিতে হাজির ছিলেন সৌমিতৃষা, আদৃত দু'জনেই। তবে কেউই কারও সঙ্গে কথা বলেননি। উল্টে, পার্টিতে চোখাচোখি হলেও সৌজন্য বিনিময়ও চোখে পড়েনি কারও। এক প্রকার, একে অপরকে এড়িয়েই চলছিলেন তাঁরা। যা, কারও চোখ এড়ায়নি। ফলে 'দেশু'-র মান- অভিমান মিটে, একসঙ্গে তাঁরা কাজ করলেও, 'সিঠাই'-র ক্ষেত্রে এখনও সেই সম্ভাবনা নেই বলাই যায়। যার দেখে মন ভেঙেছে জুটির অনুগামীদের।       

সৌমিতৃষা- আদৃতর সম্পর্কের গুঞ্জন 

২০২৩-র জুন মাস নাগাদ শেষ সম্প্রচার হয় 'মিঠাই'-র। তার আগে প্রায় আড়াই বছর ধরে দর্শকদের মনের কাছে ছিল 'মিঠাই' পরিবারের সদস্যরা। সে প্রমাণ বারবার মিলেছে টিআরপি তালিকায়। দীর্ঘ সময় ধরে বেঙ্গল টপার হয়ে, নয়া রেকর্ড গড়েছিল এই মেগা।

ধারবাহিকের ট্যাগলাইন ছিল 'সুখে-দুখে মিষ্টি মুখে মিঠাই'। তা সত্ত্বেও উচ্ছেবাবু ও তার তুফানমেইলের রিয়েল লাইফের রসায়ন মোটেও ভাল ছিল না। আড়ি- ভাব লেগেই থাকত 'সিঠাই'-র। সেই সময় জল্পনা ছড়ায় বন্ধু- কলিগ ছাড়াও আরও 'বিশেষ সম্পর্ক' রয়েছে তাঁদের। আবার ধারাবাহিকে একাধিক সূত্রের দাবি, আদৃতের প্রতি এক তরফা প্রেম ছিল সৌমিতৃষার।যদিও এই জল্পনাকে কখনও সিলমোহর দেননি সৌমিতৃষা বা আদৃত। তবে স্টুডিয়ো পাড়ায় আলোচনা হয়, পর্দার দিদিয়া- কৌশাম্বী চক্রবর্তীর সঙ্গে আদৃত কাছাকাছি আসায় নাকি তাঁর সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে মিঠাইরানির সঙ্গে।

Advertisement

আদৃতর বিয়েতে নেমন্তন্ন পাননি

দীর্ঘ জল্পনার অবসান হয়ে, এরপর ২০২৪ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন আদৃত রায় ও কৌশাম্বী চক্রবর্তীর। বিয়ে- রিসেপশন দু'দিনই কার্যত বসেছিল চাঁদের হাট। হাজির ছিলেন 'মিঠাই' ও 'ফুলকি' ধারাবাহিকের সদস্যরা। তবে হাজির ছিলেন না খোদ মিঠাই। পরে সৌমিতৃষা জানান তিনি নাকি নেমন্তন্নই পাননি। 

সত্যিই কি প্রেম ছিল আদৃত- সৌমিতৃষার? 

এপ্রসঙ্গে আগে সৌমিতৃষা বলেছিলেন, "একটা জুটি যখন হিট হয়ে যায়, আমার আর আদৃতের জুটি শুধু নয়, যতগুলো সিরিয়ালের জুটি হিট হয়েছে যখন, তখনই চর্চা হয়েছে তাঁদের নিয়ে। আসলে সব সময় রোম্যান্টিক সিন দেখছে তো, ওটা নিয়ে 'মিঠাই'-র যারা দর্শক তাঁরা কল্পনা করে ফেলে যে এঁদের মধ্যে কিছু একটা আছে, এঁদের সম্পর্ক তাহলে ভেঙে গেল। আমি আড়াই বছর আগে থেকে বলে আসছি, আমরা দু'জন কলিগ এবং ভীষণ ভাল বন্ধু। এতই ভাল বন্ধু যে, আমাদের মধ্যে মারপিট- ঝগড়া, কথা বলা বন্ধ তো এই কিছুক্ষণ পরে কথা শুরু হয়ে গেল। এই ধরনের একটা বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল।" 

অভিনেত্রীর কথায়, "ও আমার থেকে অনেকটা বড়। কিন্তু আমাদের মধ্যে একটা তুই- তুকারির সম্পর্ক ছিল। ওই জিনিসটা আমাদের দু'জনের দিক থেকেই কোনও দিনও ভাল লাগার পর্যায় যায়নি এবং আমরা ওই জন্যে কাজটাও ভাল ভাবে করতে পেরেছি। মান- অভিমান আমাদের সব সময় ছিল। এবার সমস্যাটা হল, আগে বলতে পারতাম, এখন বলতে পারি। কারণ ওঁরা ওঁদের সম্পর্কটা সব সময় প্রাইভেট রেখেছে। সেজন্যে আমরা এগুলো নিয়ে কথা বলতে পারতাম না। ওঁদের দু'জনের প্রেম যখন থেকে শুরু হয়েছে, লোকে অনেক পড়ে একটু একটু করে যখন জানতে পারে, তারা ভেবে নেয় এইজন্যেই আমাদের মধ্যে সমস্যা হয়েছে হয়তো। কিন্তু না! আদৃত আর সৌমিতৃষার মধ্যে তো প্রথম থেকেই ঝামেলা।"   

এর আগে ধারাবাহিক চলাকালীন যখন ঝামেলা- কথা বন্ধ থাকা প্রসঙ্গে সৌমিতৃষাকে প্রশ্ন করা হয়, তখন তিনি জানিয়েছিলেন, "যদি কথা বন্ধও থাকে, আপনাদের কি সিনে কোনও সমস্যা হচ্ছে? আমাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে, কাজের জীবন আছে। দুটো সম্পূর্ণ আলাদা। যদি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে কোনও সমস্যা হয়, আর সেটার প্রভাব কাজের জায়গায় না পড়ে, তাহলে কারও কোনও সমস্যা হওয়া উচিত না।" 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement