
চিনে ক্রমশই খারাপ হচ্ছে করোনা পরিস্থিতি। চিন কোভিড সংক্রান্ত তথ্য লুকোনোর চেষ্টা করছে বলে বারেবারেই অভিযোগ উঠেছে। চিনের দাবি, গত ৬ দিনে সেখানে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। তবে ইতিমধ্যেই যে ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে তা অন্যকিছু বলছে।
মানবাধিকার কর্মী জেনিফার জেং টিনের সাংহাই শহরের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। তাতে সাংহাইয়ের হাসপাতালে মৃতদেহের স্তূপ দেখা যাচ্ছে। তাঁর দাবি, ভিডিওটি গত ২৬ ডিসেম্বরের। পাশাপাশি আনসান শহরর একটি ভিডিও করেছেন তিনি। তাতে দেখা যাচ্ছে, কীভাবে চিনের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জায়গাগুলি ভর্তি হয়ে উঠেছে।
সৎকারের স্থানগুলিতে নিয়োগ
সাংহাইতে লাগাতার বেড়ে চলেছে করোনা গ্রাফ। এমনকী মৃত্যুও হয়েছে অনেকের। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে সৎকারের স্থানগুলিতে লোক নিয়োগ করতে হচ্ছে। যাঁরা শবদেহ তুলতে সক্ষম,তাঁরা এই নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারেন। যাঁরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে গিয়েছেন তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
তথ্য গোপনের চেষ্টা চিনের
এদিকে করোনায় মৃত্যুর সম্পূর্ণ তথ্য যাতে বিশ্বের সামনে না আসে তার জন্য চিন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। নির্দিষ্ট একটি ফর্মে সই করা পরই মৃতদেহ দেওয়া হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের। তাতে পরিবারে সদস্যদের লিখতে হচ্ছে তাঁদের পরিজনের মৃত্যু করোনার কারণে হয়নি। এমনকী যদি এই বিষয় কোনও তথ্য ছড়িয়ে পড়ে তাহলে সেই পরিবার দায়ি থাকবে বলেও লিখিয়ে নেওয়া হচ্ছে ফর্মে।
অন্যদিকে এই সবের মাঝে বেজিংয়ের সৎকারস্থলে পাঠানো নোটিশও প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে সৎকারস্থলের কর্মীদের কোনও সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এমনকী কোনওরকম ডাটাও শেয়ার করা যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই নোটিশে।
বিধিনিষেধ শিথিল
এদিকে এরই মাঝে চমকে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিন। আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে বিদেশে থেকে আগত যাত্রীদের কোয়ারেন্টাইনে রাখার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। আর শুধু তাই নয়, নিজেদের আন্তর্জাতিক সীমান্তও খুল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিন।
আরও পড়ুন - COVID সামলাতে তৈরি? হাসপাতালগুলিতে 'মকড্রিল'