Advertisement

Crime News: ১ থেকে ৫০ লিখতে পারেনি মেয়ে, মেজাজ হারিয়ে এলোপাথাড়ি মার বাবার, ভয়ঙ্কর পরিণতি

১ থেকে ৫০ পর্যন্ত লিখতে পারেনি মেয়ে। আর তাই মেজাজ হারিয়ে তুমুল মারধর করল বাবা। ফরিদাবাদের এই ভয়ঙ্কর ঘটনায় প্রাণ হারাল ৪ বছরের শিশুকন্যা। রইল বিস্তারিত খবর...

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • ফরিদাবাদ,
  • 24 Jan 2026,
  • अपडेटेड 12:38 PM IST
  • ১-৫০ লিখতে পারেনি ৪ বছরের মেয়ে
  • রাগে মারধর শুরু করলেন বাবা
  • ফরিদাবাদের ঘটনায় শিশুর মর্মান্তিক পরিণতি

৪ বছরের মেয়েকে অঙ্ক করাতে বসিয়েছিল বাবা। একরত্তির 'অপরাধ' ১ থেকে ৫০ পর্যন্ত লিখতে পারেনি সঠিক ভাবে। মাঝের কয়েকটি সংখ্যায় গোঁত্তা খাওয়ায় রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে উঠল বাবা। এলোপাথাড়ি মার শুরু করে সে। আর তাতেই প্রাণ চলে গেল শিশুকন্যার। শিউরে ওঠার মতো এই ঘটনাটি ঘটেছে হরিয়ানার ফরিদাবাদে। মেয়েকে পিটিয়ে খুনের অপরাধে অভিযুক্ত কৃষ্ণ জয়সওয়ালকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

পুলিশ সূত্রে খবর, আদতে উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্র জেলার বাসিন্দা কৃষ্ণ জয়সওয়াল। স্ত্রী ও ৪ বছরের শিশুকন্যাকে নিয়ে তিনি ফরিদাবাদে ভাড়া বাড়িতে থাকেন। স্বামী-স্ত্রী দু'জনেই কাজ করেন বেসরকারি সংস্থায়। ফলে মেয়েকে দেখাশোনা এবং পড়াতে হতো পালা করে। স্ত্রীর অফিস দিনে, তাই গোটা সকাল মেয়েকে দেখাশোনা করতেন কৃষ্ণই। আবার স্ত্রী বাড়ি ফিরলে রাতে অফিসের কাজে যান তিনি। 

এমন ভাবেই গত ২১ জানুয়ারি মেয়েকে পড়াতে বসেছিলেন কৃষ্ণ। অঙ্ক করাচ্ছিলেন তিনি। ১ থেকে ৫০ পর্যন্ত লিখতে বলেছিলেন মেয়েকে। আর সেটাই কাল হয়ে দাঁড়াল। কিছুটা লিখে আর বাকি এগোতে পারছিল না একরত্তি। সংখ্যা লেখায় ভুল হচ্ছিল তাঁর। যা দেখে মেজাজ হারিয়ে ফেলে বাবা। মারধর করতে শুরু করে মেয়েকে। 

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, কৃষ্ণেপ মারধরের ফলেই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কৃষ্ণের স্ত্রী ওইদিন সংন্ধ্যায় বাড়ি এসে দেখেন মেয়ের নিথর দেহ ফিরে আসে। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে। এরপরই গ্রেফতার করা হয়েছে কৃষ্ণকে।  
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement