Advertisement

১০০-র বেশি মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক, হাতে কলাবা বাঁধা ইউপি-র আজফারুলের কাহিনী

তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, আজফারুল হক নিজের পরিচয় গোপন করে নিজেকে হিন্দু বলে পরিচয় দিত। হাতে কলাভা বেঁধে বিশ্বাস অর্জন করত, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তুলত। অভিযোগ অনুযায়ী, সম্পর্ক স্থাপনের পরই শুরু হত ব্ল্যাকমেলের পর্ব।

লাভ জিহাদলাভ জিহাদ
Aajtak Bangla
  • লখনউ ,
  • 03 Feb 2026,
  • अपडेटेड 12:34 AM IST

উত্তরপ্রদেশের বস্তি জেলা থেকে উঠে আসা এক কথিত ‘লাভ জিহাদ’ মামলায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত আজফারুল হক ওরফে প্রিন্স এবং তার ঘনিষ্ঠদের একটি সংগঠিত নেটওয়ার্ক দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে একাধিক হিন্দু তরুণীকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলত। তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য, শুধু এক-দুটি নয়, শতাধিক তরুণী এই চক্রের শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত একা নয়, পরিবারের সদস্য ও কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে সে দলগতভাবে কাজ করত। প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও রেকর্ড করা হত। সেই ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করে তরুণীদের উপর মানসিক ও শারীরিক চাপ সৃষ্টি করা হত বলে অভিযোগ। কয়েকজনকে অন্য রাজ্য ও সীমান্তবর্তী এলাকায় পাঠানোর কথাও তদন্তে উঠে এসেছে। অনেকেই সামাজিক লজ্জা ও ভিডিও ফাঁসের ভয়ে এতদিন মুখ খুলতে সাহস পাননি।

তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, আজফারুল হক নিজের পরিচয় গোপন করে নিজেকে হিন্দু বলে পরিচয় দিত। হাতে কলাভা বেঁধে বিশ্বাস অর্জন করত, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তুলত। অভিযোগ অনুযায়ী, সম্পর্ক স্থাপনের পরই শুরু হত ব্ল্যাকমেলের পর্ব।

আরও পড়ুন

মামলার সূত্রপাত হয় এক তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে। তিনি জানান, ২০২২ সালে বস্তির একটি বেসরকারি হাসপাতালে কাজ করার সময় অভিযুক্তের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ভালো চাকরির আশ্বাস দিয়ে যোগাযোগ বাড়ানো হয় এবং পরে প্রেম ও বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, সেই প্রতিশ্রুতির আড়ালে ধর্ষণ করা হয়। পরে অভিযুক্তের বাড়িতে গেলে পরিবারের সদস্যদের তরফেও দুর্ব্যবহারের শিকার হন তিনি। প্রতিবাদ করলেই জুটত হুমকি।

পুলিশ জানিয়েছে, মূল অভিযুক্তসহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তের পূর্ব অপরাধের রেকর্ড থাকার কথাও সামনে এসেছে। বর্তমানে এই চক্রের আর্থিক লেনদেন, সম্ভাব্য আরও ভুক্তভোগী এবং গোটা নেটওয়ার্কের বিস্তার খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত এখনও চলছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement