Advertisement

Delhi Police Commando Murder: ডাম্বেল দিয়ে দিল্লি পুলিশের কমান্ডোর মাথা থেঁতলে খুনের অভিযোগ, গ্রেফতার স্বামী

দিল্লি পুলিশের মহিলা কমান্ডোকে খুনের অভিযোগ তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, ডাম্বেল দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করা হয়েছে ওই কমান্ডোকে। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত স্বামীকে। কেন এই নৃশংসতা?

দিল্লি পুলিশের কমান্ডো কাজল ও স্বামী অঙ্কুরদিল্লি পুলিশের কমান্ডো কাজল ও স্বামী অঙ্কুর
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 29 Jan 2026,
  • अपडेटेड 3:55 PM IST
  • দিল্লি পুলিশের কমান্ডোকে খুনের অভিযোগ
  • ডাম্বেল দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন
  • গ্রেফতার করা হয়েছে স্বামীকে

দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের এসডাবলিউএটি দলের ২৭ বছর বয়সী এক মহিলা কমান্ডোর সঙ্গে ভয়াবহ ঘটনা। অভিযোগ, গৃহবিবাদের জেরে সবামী তাঁকে নির্মম ভাবে হত্যা করেছেন। ডাম্বেল দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করা হয়েছে তাঁকে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনাটি ঘটেছে গত ২২ জানুয়ারি রাতে। নিহত কমান্ডোর নাম কাজল। ইতিমধ্যেই তাঁর স্বামী অঙ্কুরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  

কাজলের পরিবারের দাবি, পণ সংক্রান্ত দাবিকে কেন্দ্র করেই স্বামী অঙ্কুর এবং তাঁর পরবার দীর্ঘদিন ধরেই কাজলের উপর অত্যাচার চালিয়ে আসছিল। কাজলের বাবা জানিয়েছেন, তাঁর ময়ে ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। কাজলের বাবা বলেন, 'আমার মেয়ে ৪ মাসের গর্ভবতী ছিল। মা ও গর্ভস্থ সন্তান দু'জনেই মারা গিয়েছে। অঙ্কুর একটি নয়, দু'টি খুন করেছে।' 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  রাগের বশে এসেই কাজলকে ডাম্বেল দিয়ে আঘাত করে অঙ্কুর। তাঁদের বাড়িতে ফরেনসিক পরীক্ষায় দরজায় রক্তের দাগ পাওয়া গিয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, অঙ্কুর বারবার কাজলের মাথা দরজায় ঠুকে দেন। এরপরই ডাম্বেল দিয়ে আঘাত করেন তাঁর মাথায়। যার ফলে মাথায় গুরুতর চোট মেলে। হামলার পর কাজলকে প্রথমে দিল্লির মোহন গার্ডেন এলাকার তারক হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়। পরে তাঁকে গাজিয়াবাদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। যেখানে মঙ্গলবার তিনি মারা যান। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর অঙ্কুর নিজেই কাজলকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। 

কাজল ২০২২ সালে স্নাতক পাশ করেন। সেই সময়েই তাঁর সঙ্গে হরিয়ানার সোনিপতের বাসিন্দা অঙ্কুরের পরিচয় হয়। যা পরে প্রেমের সম্পর্রে পরিণত হয়। এক বছর পর দুই পরিবারের সম্মতিতে তাঁদের বিয়ে হয়। 

কাজলের বাবা ও ভাইয়ের অভিযোগ, বিয়ের মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই অঙ্কুরের পরিবার গাড়ি ও পণের দাবিতে কাজলকে হেনস্থা করতে শুরু করে। ২০২৩ সালে কাজল দিল্লি পুলিশের এসডাবলিউএটি কমান্ডো হিসেবে নির্বাচিত হন। অন্যদিকে, অঙ্কুর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অধীনে একজন ক্লার্ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০২৪ সালে দম্পতি দিল্লিতে চলে আসে। অভিযোগ, এরপরও অঙ্কুর নি.মিত ভাবে কাজলের উপর শারীরিক নির্যাতন চালাত এবং টাকা ও গাড়ির জন্য চাপ দিতে থাকে। 

Advertisement

অভিযোগ অনুযায়ী, ২২ জানুয়ারির হামলার পর অঙ্কুর কাজলের ভাইকে ফোন করে জানায়, সে কাজলকে মেরে ফেলেছে এবং পরিবারের লোকজন এসে যেন দেহ নিয়ে যায়। এরপর পরিবার দিল্লিতে পৌঁছে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে। 

এই ঘটনায় অঙ্কুরেল বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। তাঁকে গ্রেফতারের পর ইতিমধ্যেই বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement