Advertisement

Kasba Kolkata Murder: কসবায় ৪ হাজার টাকার জন্য মেয়ের সামনেই স্ত্রীর পেটে ছুরি, গ্রেফতার স্বামী

Kasba Kolkata murder: কসবায় স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, আর্থিক বিবাদের জেরেই এই ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Mar 2026,
  • अपडेटेड 12:49 PM IST
  • কসবায় স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ।
  • প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, আর্থিক বিবাদের জেরেই এই ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।
  • ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Kasba Kolkata murder: কসবায় স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, আর্থিক বিবাদের জেরেই এই ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, মেয়ের সামনেই স্ত্রীকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন ওই ব্যক্তি। এরপর পালিয়ে যাওয়ার ও চেষ্টা করেন। তবে স্থানীয়রা অভিযুক্তকে ধরে ফেরন। এরপর পুলিশে খবর দেন। 

পুলিশ সূত্রে খবর, দক্ষিণ কলকাতার কসবা থানা এলাকার বোসপুকুরের ধীরেন্দ্র বোস রোডে এই ঘটনা ঘটে। দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অশান্তি চলছিল। স্থানীয়দের দাবি, সংসারের খরচ, রোজগার এবং টাকার লেনদেন নিয়েই প্রায়শই বচসা হত তাঁদের মধ্যে।

ঘটনার দিনও একই কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বাঁধে বলে প্রাথমিক অনুমান তদন্তকারীদের। মাত্র ৪,০০০ টাকা নিয়ে ঝগড়ার সূত্রপাত। অভিযোগ, সেই বচসার পরেই রাগের মাথায় স্ত্রীকে ছুরির আঘাত করেন স্বামী। গুরুতর জখম অবস্থায় মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। পরিকল্পিত খুন নাকি হঠাৎ উত্তেজনার বশে ঘটেছে, তাও জানার চেষ্টা চলছে।  

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই ওই পরিবারে আর্থিক টানাপোড়েন ছিল। আর তার থেকেই সম্পর্কের অবনতি ঘটে। প্রতিবেশীদের একাংশ জানিয়েছেন, প্রায়ই তাঁদের মধ্যে ঝগড়ার শব্দ শোনা যেত। তবে সেই অশান্তি যে এমন ভয়াবহ পরিণতি নেবে, তা কেউই কল্পনা করতে পারেননি।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সম্ভাব্য প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। ফরেন্সিক রিপোর্ট এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ আরও স্পষ্ট হবে। পুলিশি তদন্তে এরপর আর কী কী তথ্য সামনে আসে এখন সেটাই দেখার। সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এই ঘটনায় ফের গার্হস্থ্য হিংসা এবং পারিবারিক অশান্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনৈতিক চাপ এবং মানসিক অস্থিরতা; এই দুইয়ের মিলিত প্রভাবেই অনেক সময় এমন চরম ঘটনা ঘটে। সময়মতো সমস্যা মেটানোর উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। 
 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement