
উত্তরপ্রদেশে ফের লাভ জিহাদের অভিযোগ। হিন্দু মেয়েদের আপত্তিকর ভিডিও তুলে তাঁদের দিয়ে পতিতাবৃত্তি করানোর অভিযোগ উঠেছে আজফারুল হক ওরফে প্রিন্সের যুবকের বিরুদ্ধে। উত্তরপ্রদেশের বস্তী জেলায় প্রায় ১০০ জন হিন্দু মেয়ে, মহিলার সঙ্গে এমন কাণ্ড ঘটানোর অভিযোগ উঠেছে।
দাবি করা হচ্ছে, অভিযুক্ত আজফারুল হক হিন্দু সেজে বিভিন্ন মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলত। এরপর তাঁদের আপত্তিকর ভিডিও তুলে সেগুলি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা হত। ভিডিওগুলি ফাঁস করার ভয় দেখিয়ে জোর করে দেহ ব্যবসার কাজে নামানো হত ওই মহিলাদের।
পুলিশ সূত্রে দাবি, নির্যাতিতা মহিলাদের ব্ল্যাকমেইল করে দেশের বিভিন্ন রাজ্য এমনকি নেপালেও দেহ ব্যবসার জন্য পাঠানো হত। অভিযুক্ত হিন্দু মেয়েদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য নিজের হাতে লাল তাগা পরত বলে অভিযোগ। সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ের পাশাপাশি মহিলাদের চাকরির প্রলোভনও দিত ওই যুবক।
তদন্তে উঠে এসেছে যে মহিলারা সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইত, তাঁদেরকে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের পাশাপাশি শুরু হত মানসিক নির্যাতনও। কখনও নির্যাতিতার পরিবারের লোকেদেরও মারধর করা হত। এমনকি অভিযোগকারীর ভাইকে অপহরণের হুমকিও দেওয়া হয়। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, মূল অভিযুক্ত-সহ মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে FIR দায়ের করা হয়েছে। প্রধান অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
উল্লেখ্য, জানুয়ারিতেই এই উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে আবারও লাভ জিহাদের অভিযোগ উঠেছিল। জিমের মধ্যে হিন্দু মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তকরণের চাপ দিত মুসলিম যুবকেরা! এরইসঙ্গে শহরের নামীদামি জিমগুলিতে মহিলাদের অশ্লীল ভিডিও রেকর্ড করে তাঁদেরকে ব্ল্যাকমেল ও যৌন প্রস্তাবে সাড়া দিতে বাধ্য করা হত বলেও অভিযোগ। ওই ঘটনা সামনে আসার পরে পুলিশ জিম-ট্রেনার সহ মোট ৪ জনকে গ্রেফতারও করেছিল।