Advertisement

Malda News: OTP শেয়ার না করেও ব্যাঙ্ক থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা গায়েব, তটস্থ মালদার একাধিক গ্রাহক

এ যেন ভূতুরে কারবার! OTP না দিয়েও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। মালদায় ঘটল এমনই অবাক করা ঘটনা। ওটিপি শেয়ার না করেই ব্যাঙ্ক থেকে গায়েব লক্ষ লক্ষ টাকা। মাথায় হাত ব্যাঙ্ক গ্ৰাহকের। সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রতারিত। টাকা রিফান্ডের দাবিতে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে ঘিরে বিক্ষোভও দেখান গ্রাহকেরা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের মালিওর এলাকার এক বেসরকারি ব্যাঙ্কে।

মালদার একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েবে তটস্থ গ্রাহকেরামালদার একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েবে তটস্থ গ্রাহকেরা
শুভদীপ রক্ষিত
  • মালদা,
  • 04 Apr 2025,
  • अपडेटेड 1:15 PM IST

এ যেন ভূতুরে কারবার! OTP না দিয়েও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। মালদায় ঘটল এমনই অবাক করা ঘটনা। ওটিপি শেয়ার না করেই ব্যাঙ্ক থেকে গায়েব লক্ষ লক্ষ টাকা। মাথায় হাত ব্যাঙ্ক গ্ৰাহকের। সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রতারিত। টাকা রিফান্ডের দাবিতে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে ঘিরে বিক্ষোভও দেখান গ্রাহকেরা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের মালিওর এলাকার এক বেসরকারি ব্যাঙ্কে।
         
ব্যাঙ্ক থেকে টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছে পূর্ব বেলসুর গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ পিয়ারুল ইসলামের। প্রায় চার লক্ষ টাকা। ডুমুরিয়া এলাকার বাসিন্দা ইশাহাক আলির ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা ও মালিওর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মোসাম্মেদ সেতারা খাতুনের স্বামী আব্দুর রহমানের ৪ লক্ষ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা উধাও হয়ে গিয়েছে। একই অভিযোগ অনেকেই ম্যানেজারকে জানিয়েছেন। কোনও লাভ হয়নি। ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে অভিযোগ করে আসছেন। কোনও সদুত্তর না পেয়ে এদিন তাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। খবর পেয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
  
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বেসরকারি ব্যাঙ্কে তাদের অ্যাকাউন্ট রয়েছে। কয়েক বছর ধরে লেনদেন করে আসছেন তারা। অভিযোগ,কোনও ওটিপি তারা কাউকে দেননি। এমনকি,ফোনে শেয়ার করেননি কোনও ব্যক্তিগত মেসেজও। তা সত্ত্বেও হঠাৎ করে অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব হয়ে যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এই নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন অন্যান্য ব্যাঙ্ক গ্রাহকরাও। কিভাবে এই ঘটনা ঘটল? তা ভেবে পাচ্ছেন না তারা। সাইবার থানায় অভিযোগের পর দুই গ্রাহককে কিছু টাকা ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ রিফান্ড করলেও বাকি টাকা রিফান্ড করছেন না। তাদের অ্যাকাউন্ট হোল্ড করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। টাকা লেনদেন করতে পারছেন না তারা। যদিও ওটিপি শেয়ার বা কোনও লিংকে ক্লিক করার ফলে টাকা গায়েব হয়েছে বলে দাবি ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের।

সব মিলিয়ে রীতিমতো আতঙ্কে আছেন প্রত্য়েক গ্রাহক। কী করবেন কোথায় টাকা রাখবেন কার কাছেই বা যাবেন বুঝে উঠতে পাচ্ছেন না কেউ। তাহলে কী সর্ষের মধ্য়েই ভূত? এই প্রশ্নও তুলে দিয়েছেন অনেক গ্রাহক। এখন দেখার যে কীভাবে এই গোটা বিষয়ের সমাধান করে ব্য়াঙ্ক কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement