
সর্ষের মধ্যেই যেন লুকিয়ে ভূত। সেনাঘাঁটির যে ব্যক্তি কাঁধে সবজি সরবরাহের দায়িত্ব তিনি আদতে পাক চর। এমনটাই দাবি পুলিশের। সম্প্রতি রাজস্থান থেকে এক ব্যক্তিকে চরবৃত্তির দায়ের গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। অভিযোগ, ওই ব্যক্তি আদতে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর কাজ করত। ধৃতের নাম হাবিব খান। রাজস্থানের পোখরান থেকে তাকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখা। অভিযোগ, বেশ কিছু গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ইতিমধ্যে আইএসআইয়ের কাছে ফাঁস করেছে হাবিব।
জানা গিয়েছে, গত বেশ কয়েক বছর ধরে ঠিকাদার হিসাবে কাজ করছে হাবিব খান। সাধারণত সেনাঘাঁটিতে সবজি সরবরাহ করত সে। এমনকী পোখরান এলাকার ইন্দিরা রসোইতে শাকসবজি সরবরাহের চুক্তির সঙ্গে সে জড়িত বলে জানা গিয়েছে। আপাতত তাকে দিল্লি নিয়ে আসা হবে। সেখানে বাকি পর্বের জিজ্ঞাসাবাদ চলবে। তার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তকারীদের আশা এর ফলে আইএসআইয়ের বিরাট নেটওয়ার্ক সামনে চলে আসতে পারে।
রাজস্থান এবারই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার রাজস্থানের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলি থেকে বেশ কয়েকবার আইএসআই চর গ্রেফতার করা হয়েছিল। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই আরও এক পাক চরকে রাজস্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়। পোখরান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গিয়েছে, ভারতের সেনার সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য আইএসআইয়ের হাতে পাচার করেছিলেন ওই ব্যক্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে আইএসআইয়ের হাতে ভারতীয় সেনার কৌশলগত তথ্য তুলে দিত ওই ব্যক্তি। তারপরেই তাকে গ্রেফতার করা হয়। গত বছর নভেম্বর মাসে রাজস্থান থেকে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয় একই অভিযোগে। এর আগে অক্টোবর মাসের ২৪ তারিখ রাজস্থানের বারমেরে থেকে আরও এক পাক চরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধেও ঠিক একই অভিযোগ উঠেছিল। অক্টোবর মাসের শুরুতে মহারাষ্ট্রের নাসিকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল এক পাক চরকে।