Advertisement

Faridabad Murder: স্ত্রী ও তার প্রেমিক মিলে যুবককে খুন, ফরিদাবাদে ১৮ দিন পর রহস্য ফাঁস

Faridabad Murder: তদন্তে উঠে এসেছে, গত ৩০ নভেম্বর রাতে সুমনকে মদ্যপান করিয়ে সম্পূর্ণ অচেতন করা হয়। এরপর পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করা হয় তাঁকে। খুনের পর দেহ নিয়ে গিয়ে মেওলা মহারাজপুর রেললাইনের ওপর ফেলে দেওয়া হয়।

স্ত্রী ও তার প্রেমিক মিলে যুবককে খুন, ফরিদাবাদে ১৮ দিন পর রহস্য ফাঁসস্ত্রী ও তার প্রেমিক মিলে যুবককে খুন, ফরিদাবাদে ১৮ দিন পর রহস্য ফাঁস
Aajtak Bangla
  • ফরিদাবাদ,
  • 03 Feb 2026,
  • अपडेटेड 5:25 PM IST

Faridabad Murder: হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে সামনে এল এক রীতিমতো শিউরে ওঠার মতো খুনের ঘটনা। স্বামীর সঙ্গে সংসার থাকা সত্ত্বেও প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্ক লুকোতে শেষ পর্যন্ত নৃশংস পথ বেছে নিল এক মহিলা। অভিযোগ, প্রেমিকের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে স্বামীকে খুন করে দেহ ফেলে দেওয়া হয় রেললাইনে, যাতে গোটা ঘটনাটি দুর্ঘটনা বলে চালানো যায়। প্রায় ১৮ দিন পর রহস্যের পর্দা ফাঁস হতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত ব্যক্তির নাম সুমন। পেশায় তিনি একজন অটোচালক। প্রায় ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবন, দুই সন্তান থাকা সত্ত্বেও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে অফিসের সহকর্মী রিয়াজুলের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তদন্তে উঠে এসেছে, গত ৩০ নভেম্বর রাতে সুমনকে মদ্যপান করিয়ে সম্পূর্ণ অচেতন করা হয়। এরপর পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করা হয় তাঁকে। খুনের পর দেহ নিয়ে গিয়ে মেওলা মহারাজপুর রেললাইনের ওপর ফেলে দেওয়া হয়।

পরদিন, ১ ডিসেম্বর রেললাইনের ধারে এক অজ্ঞাতপরিচয়, মারাত্মকভাবে ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। ফরিদাবাদের বদশাহ খান সিভিল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর দেহ সৎকারও করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

ঘটনায় মোড় আসে প্রায় ১৮ দিন পর। সুমনের ভাই সুরজকুণ্ড থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপরই তদন্তে নামে ডিএলএফ ক্রাইম ব্রাঞ্চ। পুলিশ লক্ষ্য করে, সুমনের স্ত্রী নিখোঁজের কোনও অভিযোগই দায়ের করেননি এবং ঘটনার পর ঝাড়খণ্ডে পালিয়ে গিয়েছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে ভেঙে পড়ে তিনি গোটা ষড়যন্ত্রের কথা স্বীকার করেন।

ফরিদাবাদের ACP (Crime) বরুণ দাহিয়া জানান, স্ত্রী ও তার প্রেমিক রিয়াজুল, দু’জনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুলিশ এখন খুনের পরিকল্পনা, সময়রেখা এবং অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement