Advertisement

বন্ধ ঘরে একই পরিবারের পাঁচ দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য উত্তরপ্রদেশের কাসগঞ্জে

মৃতদের মধ্যে রয়েছেন গৃহকর্তা শ্যামবীর সিং (৫০), তাঁর স্ত্রী শীলা (৪৮) এবং তাঁদের তিন সন্তান—আকাঙ্ক্ষা (১০), প্রাচী (১২) ও গিরিশ (৮)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্যামবীর পেশায় একজন ওয়েল্ডার ছিলেন। ঘরের ভিতরে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। অন্যদিকে স্ত্রী ও সন্তানদের দেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

UP policeUP police
Aajtak Bangla
  • লখনউ,
  • 22 Feb 2026,
  • अपडेटेड 12:30 AM IST

উত্তরপ্রদেশের কাসগঞ্জ জেলায় এক মর্মান্তিক ঘটনার জেরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি বাড়ির ভিতর থেকে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের দেহ উদ্ধার হয়। টানা তিন দিন ধরে বাড়িতে কোনও সাড়া-শব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীরাই পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে বন্ধ ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে।

ঘটনাটি ঘটেছে কাসগঞ্জ জেলার আমানপুর এলাকায়, গুপ্তা এজেন্সি পেট্রোল পাম্পের কাছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাড়িটি ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। দরজা খুলতে ওয়েল্ডিং মেশিনের সাহায্য নিতে হয় পুলিশকে। ভিতরে ঢুকেই দেখা যায় ভয়াবহ দৃশ্য।

মৃতদের মধ্যে রয়েছেন গৃহকর্তা শ্যামবীর সিং (৫০), তাঁর স্ত্রী শীলা (৪৮) এবং তাঁদের তিন সন্তান আকাঙ্ক্ষা (১০), প্রাচী (১২) ও গিরিশ (৮)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্যামবীর পেশায় একজন ওয়েল্ডার ছিলেন। ঘরের ভিতরে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। অন্যদিকে স্ত্রী ও সন্তানদের দেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এটি সম্ভবত একটি গণ-আত্মহত্যার ঘটনা। সন্দেহ করা হচ্ছে, প্রথমে স্ত্রী ও সন্তানদের বিষপ্রয়োগ করা হয়। এরপর শ্যামবীর নিজেও বিষ খেয়ে ফাঁস লাগান। যদিও কিছু সূত্রে দাবি, স্ত্রীর গলায় আঘাতের চিহ্নও পাওয়া গিয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। খবর পেয়ে অমনপুরr থানার পুলিশ, জেলা পুলিশ সুপার এবং ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ডগ স্কোয়াডও তদন্তে যুক্ত হয়। আত্মহত্যা নাকি খুন, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

এখনও পর্যন্ত কোনও সুইসাইড নোট মেলেনি। পরিবারটির আর্থিক সমস্যা বা ঋণের বোঝা ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, শ্যামবীর পরিশ্রমী মানুষ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। এমন ঘটনার পেছনে কী কারণ থাকতে পারে, তা নিয়ে এলাকায় জল্পনা তুঙ্গে। ঘটনার পর বাড়িটি সিল করে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement