Advertisement

Baransi Innerwear Steal Case: ১০ হাজার টাকার অন্তর্বাস চুরি করলেন খোদ ব্যবসায়ী সংগঠনের সভানেত্রী, সে কী কাণ্ড!

Baransi Innerwear Steal Case: সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এক মহিলা বিক্রয় সহকারীকে কথায় ব্যস্ত রাখেন। সেই সুযোগে বাকি দুই মহিলা কর্মী সরে গেলে বিভিন্ন সামগ্রী নিজেদের ব্যাগে ভরে নেন। পরে তাঁরা দোকান ছেড়ে চলে যান। পরে হিসাব মিলিয়ে গরমিল ধরা পড়লে দোকান মালিক সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে বিষয়টি জানতে পারেন।

বারাণসীতে অন্তর্বাস চুরি ৩ মহিলারবারাণসীতে অন্তর্বাস চুরি ৩ মহিলার
Aajtak Bangla
  • বারাণসী,
  • 26 Feb 2026,
  • अपडेटेड 8:03 PM IST

Baransi Innerwear Steal Case: প্রায় ১০ হাজার টাকার অন্তর্বাস চুরির অভিযোগে বারাণসীতে তিন মহিলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন এক মহিলা ব্যবসায়ী সংগঠনের সভানেত্রী। লাহুরাবির এলাকার একটি দোকানে ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। দোকান মালিক সুদীপ সিং লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, তিন মহিলা দোকানে এসে প্রায় ১০ হাজার টাকার পণ্য চুরি করেন। দোকানের ভেতরে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরায় পুরো ঘটনাটি ধরা পড়েছে। প্রমাণ হিসেবে তিনটি ভিডিও ক্লিপ পুলিশকে জমা দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এক মহিলা বিক্রয় সহকারীকে কথায় ব্যস্ত রাখেন। সেই সুযোগে বাকি দুই মহিলা কর্মী সরে গেলে বিভিন্ন সামগ্রী নিজেদের ব্যাগে ভরে নেন। পরে তাঁরা দোকান ছেড়ে চলে যান। পরে হিসাব মিলিয়ে গরমিল ধরা পড়লে দোকান মালিক সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে বিষয়টি জানতে পারেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় চুরির অভিযোগে এফআইআর দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে সুনীতা সোনি নামে এক মহিলা রয়েছেন, যিনি বারাণসী মহিলা ব্যবসায়ী মণ্ডলের সভানেত্রী এবং বারাণসী পুরনিগমের প্রাক্তন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর বলে দাবি। বাকি দুই মহিলা তাঁর মেয়ে ও ননদ বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে এবং তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।

আরও পড়ুন

যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুনীতা সোনি। তাঁর দাবি, তিনি জৌনপুর থেকে আসা কয়েকজন মহিলার সঙ্গে বাজারে গিয়েছিলেন এবং সংশ্লিষ্ট দোকানে ঢুকেছিলেন ঠিকই, তবে প্রয়োজনীয় জিনিস না থাকায় কিছু কেনেননি। তিনি দোকানে নিজের নাম ও যোগাযোগের নম্বর রেখে এসেছিলেন বলেও দাবি করেন। সঙ্গে থাকা অন্য মহিলারা কী করেছেন, তা তিনি জানেন না বলে জানান। বিতর্কের কথা জানতে পেরে তিনি দোকান মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন এবং প্রয়োজনে মূল্য পরিশোধের কথাও বলেন। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement