Advertisement

Visakhapatnam murder horror: প্রেমিকাকে খুন, দেহ ৩ টুকরো করে ফ্রিজে; নেভি অফিসারের হাড়হিম করা কাণ্ড

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, দু’জনের মধ্যে কথাবার্তার এক পর্যায়ে তর্কাতর্কি শুরু হয়, যা দ্রুতই হিংসার রূপ নেয়। সেই তর্কের মধ্যেই মৌনিকার মৃত্যু হয়। তদন্তকারীদের দাবি, এই ঘটনা পুরোপুরি আকস্মিক নয়, হত্যার আগে রবীন্দ্র একটি ছুরি সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলেন। স্থানীয় দোকানে না পেয়ে পরে তিনি অনলাইনে তা অর্ডার করেন।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 30 Mar 2026,
  • अपडेटेड 2:18 PM IST
  • বিশাখাপত্তনমে এক বিবাহিত নৌসেনা অফিসার বিরুদ্ধে তাঁর প্রেমিকাকে খুন করে দেহ টুকরো টুকরো করে লুকিয়ে রাখার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
  • বন্ধ দরজার আড়ালে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস অপরাধের বিবরণ শুনে হতবাক তদন্তকারীরাও।

বিশাখাপত্তনমে এক বিবাহিত নৌসেনা অফিসার বিরুদ্ধে তাঁর প্রেমিকাকে খুন করে দেহ টুকরো টুকরো করে লুকিয়ে রাখার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বন্ধ দরজার আড়ালে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস অপরাধের বিবরণ শুনে হতবাক তদন্তকারীরাও।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ৩০ বছর বয়সি নৌবাহিনীর টেকনিশিয়ান চিন্তাদা রবীন্দ্র। গাজুওয়াকা এলাকায় একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে তিনি প্রায় দু'বছর ধরে থাকতেন। ঘটনার দিন বিকেলে তিনি তাঁর প্রেমিকা মৌনিকাকে ওই ফ্ল্যাটে ডেকে পাঠান।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, দু’জনের মধ্যে কথাবার্তার এক পর্যায়ে তর্কাতর্কি শুরু হয়, যা দ্রুতই হিংসার রূপ নেয়। সেই তর্কের মধ্যেই মৌনিকার মৃত্যু হয়। তদন্তকারীদের দাবি, এই ঘটনা পুরোপুরি আকস্মিক নয়, হত্যার আগে রবীন্দ্র একটি ছুরি সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলেন। স্থানীয় দোকানে না পেয়ে পরে তিনি অনলাইনে তা অর্ডার করেন।

অভিযোগ, খুনের পর তিনি দেহটি তিন টুকরো করেন। একটি অংশ ফ্ল্যাটের ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা হয়, আরেকটি অংশ চটের বস্তায় ভরে খাটের নিচে রাখা হয়। তৃতীয় অংশ, অর্থাৎ মাথাটি, আদাভিভারামের একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তাঁরা কোনও অস্বাভাবিক শব্দ বা আচরণ টের পাননি। 'সবকিছুই স্বাভাবিক মনে হয়েছিল,' এক বাসিন্দার বক্তব্য।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, অভিযুক্তের স্ত্রী সম্প্রতি সন্তান জন্ম দিয়ে বাপের বাড়িতে ছিলেন। সেই সুযোগেই ফাঁকা ফ্ল্যাটে মৌনিকাকে ডাকা হয়। ঠিক কী কারণে এই মারাত্মক তর্কের সূত্রপাত, তা এখনও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

অপরাধ চাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত নিজেই এক বন্ধুকে ফোন করেন রবীন্দ্র। বন্ধুর পরামর্শেই তিনি গাজুওয়াকা থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং খুনের কথা স্বীকার করেন। এরপর পুলিশ ফ্ল্যাটে গিয়ে দেহাবশেষ ও অন্যান্য প্রমাণ উদ্ধার করে।

এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ মৌনিকার পরিবার। স্থানীয় বাসিন্দারাও এখনও আতঙ্ক ও ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তদন্তকারীদের কথায়, 'এটি শুধু একটি খুন নয়, এর পরের ঘটনাগুলিও সমানভাবে শিহরণ জাগানো।'

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement