
ভারতে চলছে AI ইমপ্যাক্ট সামিট। দিল্লির প্রগতি ময়দানে চলছে এই সম্মেলন। আর সেখানে নিরাপত্তার বেড়াজাল টপকে ঢুকে পড়েন কিছু যুব কংগ্রেস কর্মী। তারপর শুরু করেন প্রতিবাদ। টি শার্ট খুলে ক্ষোভ প্রদর্শন হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে দিতে থাকেন স্লোগান। তাঁদের স্লোগানের মূল বক্তব্য ছিল 'PM Is Compromise'।
মাথায় রাখতে হবে, আজ ভারত মণ্ডপমে উপস্থিত ছিলেন দেশ বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এমন সময় মেন গেটের সামনে চলে আসেন যুব কংগ্রেসের কর্মীরা। তাঁরা ব্যানার এবং পোস্টার হাতে নিয়ে শুরু করে দেন বিক্ষোভ।
এই অবস্থায় দ্রুত ব্যবস্থা নেন নিরাপত্তারক্ষীরা। তাঁরা বিক্ষোভকারীদের আটক করেন। তারপর তাঁদের বের করে দেওয়া হয় সম্মেলন স্থল থেকে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে।
দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, একাধিক যুব কংগ্রেস কর্মীকে আটক করা হয়েছে এআই সামিট থেকে। ধৃতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই খবর। এখন চলছে তদন্ত। খোঁজার চেষ্টা চলছে ঠিক কীভাবে কংগ্রেস কর্মীরা এই অনুষ্ঠান স্থলে ঢুকে পড়লেন।
এই বিক্ষোভের সময় সেখানে ১০ জন কর্মী উপস্থিত ছিলেন বলে খবর মিলছে। এঁদের মধ্যে ৪ থেকে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
এক্ষেত্রে কিউআর কোড-এর সাহায্যে তাঁরা অনুষ্ঠান স্থলে প্রবেশ করেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। আটক করার পর ধৃতদের নিয়ে যাওয়া হয় তিলক মার্গ পুলিশ স্টেশনে।
বিজেপির কী দাবি?
বিজেপির আইটি সেল প্রধান অমিত মালব্য এই ঘটনার জন্য কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ঘাড়েই দোষ চাপিয়েছেন। তাঁরা দাবি, এই ধরনের ঘটনা হল 'জাতীয় লজ্জা'। তিনি নিজের ট্যুইটারে লেখেন, 'এটা জাতীয় লজ্জা। ভারত গ্লোবাল এআই সামিট অনুষ্ঠিত করছে... আর তার মর্যাদা নষ্ট করতে নেমে পড়েছে কংগ্রেস পার্টি। কংগ্রেস কর্মীরা অর্ধনগ্ন অবস্থায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। এটা পৃথিবীর কাছে ভারতের মর্যাদাহানীর চেষ্টা ছিল।'
আর এই ঘটনা ঘিরেই এখন জাতীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কংগ্রেসকে বিঁধতে শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। যদিও চুপ নেই কংগ্রেসও। তাঁরাও পাল্টা দিচ্ছে।
তবে এ সবের বাইরে গিয়ে একটা প্রশ্নই সকলের মাথায় ঘুরছে যে ভারত মণ্ডপমের সুরক্ষা ব্যবস্থা কি একবারেই ভাল নয়? কীভাবে এই ঘটনা ঘটল? যদিও তদন্তের পরই এই সব বিষয়ে উত্তর পাওয়া যাবে।