
দিল্লি এয়ারপোর্ট থেকে উড়েছিল বিমান। তবে কিছুক্ষণ যেতেই পাইলট বুঝতে পারেন যে ডানদিকের ইঞ্জিন তেলের চাপ রয়েছে কম। যার ফলে মাঝ আকাশ থেকে আবার ফিরে আসে বিমানটি। ঘটনাটি ঘটে AI887 দিল্লি-মুম্বই ফ্লাইটে।
২২ ডিসেম্বর ভোররাতে Boeing 777-337 ER বিমানটি দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ভোর ৩.২০ নাগাদ আকাশে উড়ে যায়। তারপর পাইলট বুঝতে পারেন যে ডানদিকের ২ নম্বর ইঞ্জিনে তেলের প্রেশার অস্বাভাবিক রয়েছে। এমন সময় হুট করে প্রেশার নেমে যায় শূন্যতে। এই পরিস্থিতিতে স্ট্যান্ডার্ড এমার্জেন্সি প্রক্রিয়া মেনে চলতে শুরু করেন পাইলট। সেই সঙ্গে বিমানটিকে ফিরিয়ে আনা হয় এয়ারপোর্টে।
যতদূর খবর, নিরাপদভাবেই বিমানটি নেমে এসেছে। এই বিমানে উপস্থিত সব যাত্রী এবং কর্মীরা সুস্থ রয়েছেন। তাদের কারও কোনও আঘাত লাগেনি।
বিমানের ক্ষেত্রে ইঞ্জিনে তেলের প্রেশার কম থাকা খুবই জটিল একটা সমস্যার দিকেই ইঙ্গিত করে। এই সময় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হয়। কারণ, এই তেলের মাধ্যমেই ইঞ্জিন ঠান্ডা থাকে। মসৃণ গতিতে এগিয়ে যায়। তাই তেলের প্রেশার কমলে গরম হয়ে যেতে পারে ইঞ্জিন। অনেক ক্ষেত্রে ইঞ্জিনে আগুন লেগে যেতে পারে। এমনকী ইঞ্জিন ফেল করারও রয়েছে আশঙ্কা।
মাঝ আকাশেই সমস্যা ধরা পড়ে বিপত্তি
এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে যে মাঝ আকাশেই ধরা পড়ে বিপত্তি। তখন তড়িঘড়ি পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিমানটিকে নামিয়ে আনা হয়। এতেই বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। যাত্রীরা সবাই সুরক্ষিত রয়েছেন।
এয়ার ইন্ডিয়ার মুখপাত্রের তরফে জানান হয়েছে, ' ২২ ডিসেম্বর দিল্লি থেকে মুম্বইয়ের দিকে যাওয়া AI887 বিমানের ক্রুরা টেক অফের কিছু ক্ষণের মধ্যেই প্রযুক্তিগত সমস্যার জন্য প্লেনটিকে ফিরিয়ে আনেন। দিল্লি বিমানবন্দরে নিরাপদভাবে সব প্যাসেঞ্জার ও ক্রুরা নেমে এসেছে।
এছাড়া বিমান সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, বর্তমানে বিমানটির পরীক্ষা চলছে। সব দিক থেকে ছাড়পত্র পেলেই এই বিমান আকাশে উড়বে।
বিকল্প খুঁজে দেওয়া হয়েছে
এই বিমানের যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাদের সব ধরনের সাহায্য করেন দিল্লি এয়ারপোর্টের কর্মীরা।
মুখপাত্রের কথায়, 'এই ধরনের সমস্যার জন্য আমরা দুঃখিত। যাত্রী ও কর্মীদের নিরাপত্তা এবং সুস্থতা হল আমাদের প্রায়োরিটি।'