Advertisement

Amit Shah: 'ইরান যুদ্ধের আবহেও দেশে হবে না লকডাউন', অসমে ভোটের প্রচারে দাবি অমিত শাহের

Amit Shah: গুয়াহাটির রাজপথে জনসমুদ্রের উদ্দেশে শাহ বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে কী হচ্ছে সেদিকে আমাদের কড়া নজর রয়েছে। কিন্তু ভারতীয় নাগরিকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।” তিনি স্পষ্ট করেন যে, ভারত সরকার পর্যাপ্ত জ্বালানি ও এলপিজি মজুত রেখেছে, ফলে আমজনতার দৈনন্দিন জীবনে এর কোনও আঁচ পড়বে না।

অমিত শাহঅমিত শাহ
Aajtak Bangla
  • গুয়াহাটি,
  • 28 Mar 2026,
  • अपडेटेड 10:12 PM IST

Amit Shah: অসম বিধানসভা নির্বাচনের হাইভোল্টেজ প্রচারের মাঝেই বিশ্ব রাজনীতির উত্তপ্ত আবহে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার গুয়াহাটিতে এক বর্ণাঢ্য রোড-শো চলাকালীন তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে চলা সংঘাতের জেরে ভারতে কোনওভাবেই লকডাউন বা জরুরি অবস্থা জারির পরিস্থিতি তৈরি হবে না। এমনকি যুদ্ধ পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে দেশে পেট্রোল, ডিজেল বা রান্নার গ্যাসের কোনও কৃত্রিম সংকট হতে দেবে না কেন্দ্র। ২০২৬-এর এই উত্তাল সময়ে দাঁড়িয়ে বিরোধীদের তোলা ‘সংকট’ তত্ত্বকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে শাহ এদিন হিমন্ত বিশ্ব শর্মার গড়ে দাঁড়িয়ে উন্নয়নের বার্তাই দিলেন।

গুয়াহাটির রাজপথে জনসমুদ্রের উদ্দেশে শাহ বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে কী হচ্ছে সেদিকে আমাদের কড়া নজর রয়েছে। কিন্তু ভারতীয় নাগরিকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।” তিনি স্পষ্ট করেন যে, ভারত সরকার পর্যাপ্ত জ্বালানি ও এলপিজি মজুত রেখেছে, ফলে আমজনতার দৈনন্দিন জীবনে এর কোনও আঁচ পড়বে না। তাঁর দাবি, একদল মানুষ গুজব ছড়িয়ে বাজারে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করছে, যা মোকাবিলা করতে কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসন প্রস্তুত। বিড়লা-রাজের আভিজাত্যের মতোই অসমের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজেপি বদ্ধপরিকর বলে এদিন সুর চড়ান তিনি।

এদিন রোড-শো’র পাশাপাশি অসমের স্থানীয় আবেগকেও উসকে দেন শাহ। উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার অসমে বিজেপি সরকারের গত কয়েক বছরের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, অনুপ্রবেশ ও জঙ্গি দমনে কেন্দ্র যে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে, তা এবারও মানুষ ব্যালট বক্সে প্রমাণ করবে। ইরান সংকটের ছায়া যাতে দেশের অর্থনীতিতে না পড়ে, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। চৈত্র শেষের তপ্ত দিনে যখন চারদিকে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য তুঙ্গে, তখন অমিত শাহের এই অভয়বাণী অসমের ভোটারদের মনে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement