Advertisement

Kidnapped Girlfriend's Child: বিয়েতে না করায় প্রেমিকার এক বছরের সন্তানকে অপহরণ, কানপুরে ধৃত বিহারের যুবক

প্রেমিকাকে বিয়ে করতে রাজি করাতে দিল্লিতে এসেছিলেন বিহারের এক যুবক। কিন্তু মহিলা স্পষ্টভাবে অস্বীকৃতি জানাতেই চরম পথ বেছে নেয় সে। অভিযোগ, প্রেমিকাকে চাপ দিতে তাঁর এক বছরের শিশুকে অপহরণ করে পালায় অভিযুক্ত। দ্রুত তৎপরতায় বহু রাজ্যের পুলিশের যৌথ অভিযানে কানপুরে ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং শিশুটিকেও নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ উদ্ধার করেছে শিশুটিকে।-ফাইল ছবিপুলিশ উদ্ধার করেছে শিশুটিকে।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 10 Jan 2026,
  • अपडेटेड 5:21 PM IST
  • প্রেমিকাকে বিয়ে করতে রাজি করাতে দিল্লিতে এসেছিলেন বিহারের এক যুবক
  • কিন্তু মহিলা স্পষ্টভাবে অস্বীকৃতি জানাতেই চরম পথ বেছে নেয় সে।

প্রেমিকাকে বিয়ে করতে রাজি করাতে দিল্লিতে এসেছিলেন বিহারের এক যুবক। কিন্তু মহিলা স্পষ্টভাবে অস্বীকৃতি জানাতেই চরম পথ বেছে নেয় সে। অভিযোগ, প্রেমিকাকে চাপ দিতে তাঁর এক বছরের শিশুকে অপহরণ করে পালায় অভিযুক্ত। দ্রুত তৎপরতায় বহু রাজ্যের পুলিশের যৌথ অভিযানে কানপুরে ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং শিশুটিকেও নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তের নাম হেমন্ত কুমার, বাড়ি বিহারে। তিনি দিল্লির কাপাশেরা এলাকার এক মহিলার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। হেমন্ত তাঁকে বিয়ে করতে চাইছিলেন এবং সেই উদ্দেশ্যেই কয়েক দিন আগে বিহার থেকে দিল্লিতে আসেন। কিন্তু মহিলা জানিয়ে দেন, তিনি ইতিমধ্যেই বিবাহিত এবং তাঁর এক বছরের একটি সন্তান রয়েছে, এই পরিস্থিতিতে বিয়ে সম্ভব নয়।

এই প্রত্যাখ্যান মেনে নিতে না পেরে হেমন্ত ধারণা করে যে শিশুটিই তাঁর বিয়ের পথে প্রধান বাধা। সেই ভাবনা থেকেই খেলনা কেনার অজুহাতে এক বছরের শিশুটিকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে সে। এরপর শিশুটিকে নিয়ে সোজা দিল্লি রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে বিহারগামী বিক্রমশীলা এক্সপ্রেসে উঠে পড়ে অভিযুক্ত।

ট্রেনে যাত্রার সময় শিশুটি কান্নাকাটি করলে সহযাত্রীরা প্রশ্ন করেন। তখন হেমন্ত দাবি করে, শিশুটির মা অসুস্থ এবং সে শিশুটিকে বিহারে দাদির কাছে নিয়ে যাচ্ছে। এদিকে বাড়িতে ফিরে সন্তানকে না পেয়ে আতঙ্কিত মা হেমন্তের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন অভিযুক্ত স্পষ্ট হুমকি দেয়, তিনি যদি বিহারে গিয়ে তাকে বিয়ে না করেন, তবে সন্তানকে আর ফেরত দেওয়া হবে না।

দিশেহারা মা সঙ্গে সঙ্গে কাপাশেরা পশ্চিম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি পুলিশকে জানান যে হেমন্ত বিক্রমশীলা এক্সপ্রেসে করে বিহারের দিকে যাচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার পর দিল্লি পুলিশ রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ)-কে সতর্ক করে এবং কানপুর আরপিএফের সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্য ভাগ করে নেয়।

রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বিক্রমশীলা এক্সপ্রেস কানপুর সেন্ট্রাল স্টেশনে পৌঁছনোর সঙ্গে সঙ্গেই আরপিএফ জেনারেল কোচ ঘিরে তল্লাশি শুরু করে। পুলিশ দেখে অভিযুক্ত ভিড়ের মধ্যে লুকোতে এবং শিশুটিকে আড়াল করার চেষ্টা করছে। সঙ্গে সঙ্গে শিশুসহ তাকে আটক করে আরপিএফ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

Advertisement

প্রথমে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করলেও পরে দিল্লিতে দায়ের হওয়া অভিযোগের মুখোমুখি হয়ে হেমন্ত স্বীকার করে নেয় যে প্রেমিকাকে বিহারে গিয়ে বিয়ে করতে বাধ্য করার জন্যই সে শিশুটিকে অপহরণ করেছিল।

আরপিএফ জানিয়েছে, গ্রেফতার খবর দিল্লি পুলিশকে জানানো হয়েছে। হেমন্ত কুমার ও উদ্ধার হওয়া শিশুটিকে আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য দিল্লিতে ফেরাতে দিল্লি পুলিশের একটি দল কানপুরে পৌঁছাচ্ছে।

আরপিএফ ইন্সপেক্টর এস এন পাতিদার বলেন, 'দিল্লি পুলিশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে শিশুসহ ট্রেন থেকে আটক করা হয়েছে। বিয়ের জন্য জোর করতে সে শিশুটিকে অপহরণ করেছিল। অভিযুক্তকে দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।'

 

Read more!
Advertisement
Advertisement