পশ্চিমবঙ্গে দলের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব থেকে কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে (kailash vijayvargiya) সরিয়ে দিল বিজেপি। সেই পদে বিজেপি পর্যবেক্ষকে দায়িত্বে আনল সুনীল বনসলকে (sunil bansal)। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ওড়িশা ও তেলঙ্গানায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল।
উত্তরপ্রদেশে পর্ষবেক্ষক ছিলেন সুনীল
সুনীল বনসল এতদিন উত্তরপ্রদেশে বিজেপি-র পর্যবেক্ষক ছিলেন। তাঁর জায়গায় উত্তরপ্রদেশে বিজেপি আনল ধর্মপাল সিংকে। আগামী বছর তেলঙ্গানায় বিধানসভা নির্বাচন। দক্ষিণ ভারতে বিজেপির প্রভাব ভাল নয়। কর্নাটক ছাড়া দক্ষিণে বিজেপি-র সরকার নেই। তাই তেলঙ্গানার ভোটে দাক্ষিণাত্যে গেরুয়া প্রভাব বাড়াতে মরিয়া বিজেপি।
অন্যদিকে সামনেই লোকসভা নির্বাচন। পশ্চিমবঙ্গে লোকসভায় গতবার ভাল ফল করেছিল বিজেপি। উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথকে জেতানোর পিছনে বড় ভূমিকা ছিল সুনীলের।
যোগীকে জেতানোর কারিগর
আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন ABVP থেকে উত্থান সুনীলের। ২০১৩ সালে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর নাম ঘোষণা হওয়ার পরই অমিত শাহের সুনজরে পড়েন সুনীল। পরবর্তিকালে সুনীলকে উত্তরপ্রদেশে পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। উত্তরপ্রদেশের ৮০টি আসনের মধ্যে ৭৩ টিতেই জয়লাভ করে। ২০১৭ সালে যোগী আদিত্যনাথের জয়লাভেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন সুনীল।
ব্যর্থ কৈলাস বিজয়বর্গীয়
২০১৫ সাল থেকে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তাঁকে সরিয়ে সেই জায়গায় বসানো হল সুনীলকে। একই সঙ্গে, বাংলার দলের পর্যবেক্ষকের দায়িত্বও পেলেন সুনীল। ২০২১-এ ওই দায়িত্বে ছিলেন কৈলাস। বাংলায় আশানুরূপ ফল করতে না পারার পর থেকেই কৈলাসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। বিধানসভায় দল পরাজিত হওয়ার পর আর বাংলায় দেখা যায়নি তাঁকে।