
কংগ্রেস সাংসদদের নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। তাঁর দাবি, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে হেনস্থা করেছেন কংগ্রেসের সাংসদদের একাংশ। সেই দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের সামনেই এই ঘটনা ঘটেছে। কেসি বেনুগোপাল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
কিরেন রিজিজু দাবি করেন, কংগ্রেসের নেতাদের এই আচরণের ফলে ওম বিড়লা খুব আহত হয়েছেন, কষ্ট পেয়েছেন। তিনি খুব নম্র ও ভদ্র। সেই কারণে কোনও পদক্ষেপ নেননি। না হলে কঠোর ব্যবস্থা নিলেই নিতে পারতেন।
কিরেন বলেন, 'কয়েকজন কংগ্রেসের সদস্য ওম বিড়লার চেম্বারে গিয়ে অভভ্য আচরণ করেছেন। ২০-২৫ জন গিয়েছিলেন। আমিও সেই সময় সেখানে ছিলাম। সাংসদরা স্পিকারের প্রতি যে আচরণ করেছেন তা অন্যায়। সেই সময় প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও বেনুগোপালের মতো নেত্রী-নেতারাও সেখানে ছিলেন। তাঁরা উৎসাহিত করছিলেন। আমাদের সাংসদরা কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করলে সিনিয়ররা থামাতেন। কিন্তু কংগ্রেসের সিনিয়ররা ঝগড়া করার জন্য উস্কানি দিচ্ছিলেন।'
গালওয়ান সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে তৎকালীন সেনা প্রধান নারাভানের অপ্রকাশিত বই নিয়ে উত্তাল সংসদ। রাহুল গান্ধী সেই বইয়ের প্রসঙ্গ তোলায় তাঁর সমালোচনা করেছে বিজেপি। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী রিজিজুর দাবি, রাহুল গান্ধী যা করছেন সেটা অন্যায়। কারণ এটা দেশের নিরাপত্তার প্রশ্ন।
তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের মধ্যে যে কথা হবে তা জনসমক্ষে আলোচনা করা যাবে না। যদি সবকিছু জনসমক্ষে আলোচনা করতে হয়, তাহলে কীভাবে জাতির নিরাপত্তা বজায় রাখা যাবে? গোটা দেশ দেখতে পাচ্ছে, কীভাবে একজন সাংসদ দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়কে রাজনৈতিক লাভের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।'
রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করে রিজিজু বলেন, 'আমি জানি না তিনি কোন জগতে বাস করেন। কংগ্রেসে বেশ কয়েকজন বিচক্ষণ নেতা আছেন। তাঁরা তো রাহুল গান্ধীকে বোঝাতে পারেন। জাতির নিরাপত্তার বিষয়ে উনি তো শিশুর মতো আচরণ করছেন। আমাদের দেশ অনেক বড়। নিরাপত্তা একটি খুব বড় বিষয়। রাজনৈতিক সুবিধার জন্য কারও মর্যাদা নিয়ে ছেলেখেলা করা ঠিক নয়।'