Advertisement

মোদীর ১৪ সভা, আসছেন শাহ-যোগী, বঙ্গে বিজেপির প্রচারের ব্লু-প্রিন্ট

এই প্রচার অভিযানের মুখ্য আকর্ষণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি রাজ্যে অন্তত ১৪টি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে জানা গিয়েছে। শহর থেকে গ্রাম, দুই ক্ষেত্রেই তাঁর জনসভা ও রোড-শো বিজেপির সংগঠনকে আরও চাঙ্গা করবে বলেই মনে করছে দল।

নিজস্ব গ্রাফিক্সনিজস্ব গ্রাফিক্স
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 19 Mar 2026,
  • अपडेटेड 6:58 PM IST
  • পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আগ্রাসী প্রচারে নামতে চলেছে বিজেপি।
  • শীর্ষ জাতীয় নেতৃত্ব ও তারকাদের নিয়ে রাজ্যজুড়ে এক ব্যাপক ও বহুমুখী প্রচার ঝড় তুলতে প্রস্তুত গেরুয়া শিবির।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আগ্রাসী প্রচারে নামতে চলেছে বিজেপি। শীর্ষ জাতীয় নেতৃত্ব ও তারকাদের নিয়ে রাজ্যজুড়ে এক ব্যাপক ও বহুমুখী প্রচার ঝড় তুলতে প্রস্তুত গেরুয়া শিবির। জনসভা, রোড-শো এবং বড় সমাবেশকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিস্তারিত জনসংযোগ রূপরেখা। যার মূল লক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলিতে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ আরও জোরদার করা।

এই প্রচার অভিযানের মুখ্য আকর্ষণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি রাজ্যে অন্তত ১৪টি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে জানা গিয়েছে। শহর থেকে গ্রাম, দুই ক্ষেত্রেই তাঁর জনসভা ও রোড-শো বিজেপির সংগঠনকে আরও চাঙ্গা করবে বলেই মনে করছে দল।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন। তাঁর ৮টি কর্মসূচির মধ্যে থাকবে একাধিক কৌশলগত জনসভা ও রোড-শো। বিশেষ করে বুথ-স্তরের সংগঠন মজবুত করা এবং কর্মীদের একজোট রাখার ওপরই তিনি জোর দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রচারে আরও গতি আনতে বিজেপি নেতা নীতিন নবীন ৭টি জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। পাশাপাশি দলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ৬টি জনসভায় অংশ নেবেন। বিশেষ করে সেইসব কেন্দ্রে, যেখানে দল জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের উপস্থিতিও এই প্রচারে আলাদা মাত্রা যোগ করবে। তিনি রাজ্যে মোট ৮টি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। তাঁর জনসভা দলীয় কর্মীদের উজ্জীবিত করবে এবং নির্দিষ্ট ভোটব্যাঙ্কে প্রভাব ফেলবে বলে বিজেপির ধারণা।

তারকা প্রচারক হিসেবে বড় ভরসা মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি প্রায় ১০টি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। বাংলায় তাঁর জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে শহর ও আধা-শহুরে এলাকায় ভোট টানার কৌশল নিয়েছে বিজেপি।

দলীয় সূত্রের দাবি, গোটা প্রচার পরিকল্পনাটি অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে সাজানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ এবং রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল জেলাগুলিতে সমান গুরুত্ব দিয়ে প্রচার চালানো হবে। বড় জনসভা ও দৃশ্যমান প্রচারের পাশাপাশি তৃণমূল স্তরে সংগঠনকে সক্রিয় করতেও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

Advertisement

শুধু মঞ্চের প্রচার নয়, বুথ-স্তরের সংগঠনকে শক্তিশালী করতেও আলাদা গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক, সমন্বয় বৃদ্ধি এবং মাঠপর্যায়ের কাজকে আরও কার্যকর করে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সাংগঠনিক বিস্তারকে ভোটে রূপান্তর করাই এখন দলের প্রধান লক্ষ্য।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement