Advertisement

আন্দোলনের জয়, 10 Minutes Delivery বন্ধ Blinkit এর, Swiggy-র সঙ্গেও কথা বলছে কেন্দ্র

Blinkit 10 minute delivery: ডেলিভারি কর্মীদের আন্দোলন ও কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের জের। ১০ মিনিটে ডেলিভারির ব্র্যান্ডিং প্রত্যাহার করল ব্লিঙ্কিট। সূত্রের খবর, গিগ কর্মীদের ধর্মঘট এবং বিতর্কের আবহেই এই সিদ্ধান্ত।

 ১০ মিনিটে ডেলিভারির ব্র্যান্ডিং প্রত্যাহার করল ব্লিঙ্কিট।  ১০ মিনিটে ডেলিভারির ব্র্যান্ডিং প্রত্যাহার করল ব্লিঙ্কিট।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 13 Jan 2026,
  • अपडेटेड 2:55 PM IST
  • ডেলিভারি কর্মীদের আন্দোলন ও কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের জের। 
  •  ১০ মিনিটে ডেলিভারির ব্র্যান্ডিং প্রত্যাহার করল ব্লিঙ্কিট।
  • সূত্রের খবর, গিগ কর্মীদের ধর্মঘট এবং বিতর্কের আবহেই এই সিদ্ধান্ত।

Blinkit 10 minute delivery: ডেলিভারি কর্মীদের আন্দোলন ও কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের জের। ১০ মিনিটে ডেলিভারির ব্র্যান্ডিং প্রত্যাহার করল ব্লিঙ্কিট। সূত্রের খবর, গিগ কর্মীদের ধর্মঘট এবং বিতর্কের আবহেই এই সিদ্ধান্ত। নতুন বছরের শুরুতেই, দেশজুড়ে ধর্মঘটে সামিল হন ২ লক্ষেরও বেশি ডেলিভারি রাইডার। খাবার, গ্রসারি-সহ নানা ধরনের অর্ডার ক্যারি করতে অস্বীকার করেন। ন্যায্য পারিশ্রমিক, নিরাপত্তা এবং সম্মানের দাবি তোলেন। পাশাপাশি, আন্দোলনকারী ইউনিয়নের একটি বড় দাবি ছিল, যাতে ১০ মিনিটে ডেলিভারির নিয়ম বন্ধ করা হয়। দ্রুত ডেলিভারির চাপে বিপজ্জনকভাবে রাইড করতে হত ডেলিভারি পার্সনদের। সেই কারণেই এই দাবি।

করোনা লকডাউনের সময় থেকেই ভারতে কুইক ডেলিভারির জনপ্রিয়তা বাড়তে শুরু করে। প্রথমে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী, পরে ধীরে ধীরে বালিশ থেকে প্রেসক্রিপশনের ওষুধ; সবই 'ইনস্ট্যান্ট ডেলিভারি'র তালিকায় ঢুকে পড়ে। আমেরিকায় ফ্রিজ নো মোর, বাইক, জোকার কিংবা গেটির মতো সংস্থাও এই মডেলে ব্যবসা করত। তবে সেখানে সময়ের সঙ্গে তাদের ব্যবসা পড়ে গিয়েছে। কিন্তু ভারতে ছবিটা উল্টো। সময়ের সঙ্গে ডেলিভারির জনপ্রিয়তা বেড়েছে। বেড়েছে ডেলিভারি অ্যাপের সংখ্যা। শহর ও শহরতলি ছাড়িয়ে এখন বহু জেলা-মফস্বল এলাকাতেও কুইক ডেলিভারি সার্ভিস চালু হয়ে গিয়েছে। ব্লিঙ্কিট, সুইগি ইনস্টামার্ট, জেপ্টোর মতো অ্যাপে বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগও এসেছে। সংস্থার কর্তারা রীতিমতো কয়েকশো কোটির নেট ওয়ার্থে পৌঁছে গিয়েছেন।

ইনস্ট্যান্ট ডেলিভারির মূল ভিত হল ডার্ক স্টোর। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে গুদামঘর বানায় সংস্থাগুলি। সেখান থেকেই অনলাইন অর্ডার নেওয়া হয়। আমাজন এবং ফ্লিপকার্টও এখন এই দৌড়ে সামিল। রিয়েল এস্টেট সংস্থা স্যাভিলসের পূর্বাভাস, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ডার্ক স্টোরের সংখ্যা ২,৫০০ থেকে বেড়ে ৭,৫০০-এ পৌঁছতে পারে।

তবে এই সবেরই মাঝে খেসারত দিতে হচ্ছে ডেলিভারি রাইডারদের। অ্যাপগুলির দাবি, চালকদের উপর সময়ের চাপ নেই। কিন্তু দেরি হলেই খারাপ রেটিং, সুপারভাইজারের ফোন, এমনকি আর্থিক জরিমানার অভিযোগ উঠছে। তার ফলেই সংকীর্ণ, যানজটে ভরা, খানাখন্দে ভরা রাস্তায় ঝুঁকি নিয়ে বাইক চালাচ্ছেন রাইডাররা। দিল্লির মতো শহরে আবার রয়েছে মারাত্মক বায়ুদূষণের ঝুঁকি।

Advertisement

গোটা পরিস্থিতির মধ্যেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও ক্রমেই বাড়ছে উদ্বেগ। 

ধর্মঘটের পর বিতর্ক আরও বেড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে ব্লিঙ্কিটের ১০ মিনিট ডেলিভারির ব্র্যান্ডিং থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। 

Read more!
Advertisement
Advertisement