
রাজস্থানের পালি জেলায় ২৪ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেফতার করেছে রাজস্থান পুলিশ। অভিযোগ সে একজন বয়স্ক মহিলাকে হত্যা করে তার মাংস খেয়েছে। অভিযুক্ত জলাতঙ্কে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পুলিশ হেফাজতে নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। অভিযুক্তের নাম সুরেন্দ্র ঠাকুর। সে মুম্বইয়ের বাসিন্দা।
ওই যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ (হত্যা) ধারার অধীনে মামলা করা হয়েছে। এবং তার বিরুদ্ধে নরমাংস ভক্ষণেরও অভিযোগও আনা হয়েছে। বাঙ্গার হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত সম্ভবত জলাতঙ্কে ভুগছে। তাকে আগে কোনও পাগলা কুকুর কামড়েছিল। কিন্তু তখন তার চিকিৎসা হয়নি। ফলে সে জল দেখলেই ভয় পাচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার সেন্দ্রা থানার অন্তর্গত সারধানা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। ৬৫ বছর বয়সী শান্তি দেবী তাঁর গবাদি পশু চরাতে গিয়েছিলেন। অভিযুক্ত তাঁকে পাথর দিয়ে আক্রমণ করে এবং তাকে হত্যা করে।
অভিযুক্ত মানসিকভাবে অসুস্থ রোগীর মতো এবং আক্রমনাত্মক আচরণ করছে। আমরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি যেখানে তার ডাক্তারি পরীক্ষা চলছে। এমনকি হাসপাতালেও সে তোলপাড় করছে। যেকারণে তাকে বেঁধে রাখা হয়েছে। একথা জানিয়েছেন, জয়তারানের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ সুখরাম বিষ্ণোই। তিনি বলেন, অভিযুক্ত একটি বাসে মুম্বাই থেকে সেন্দ্রায় এসেছিল, যা একটি বাসের টিকিটের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছিল।
শান্তি দেবীর ছেলে বীরেন কাথাত তাঁর মাকে হত্যা করে মাংস খাওয়ার অভিযোগে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি বলেন, 'আমি ছাগল চরানোর পরে ফিরছিলাম যখন আমি সেই লোকটিকে দেখলাম যে মৃত মহিলার মাংস খাচ্ছিল। আমি ভয় পেয়েছিলাম এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাই।'
প্রথমে অভিযুক্তকে দেখে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়লে সে পালানোর চেষ্টা করে। পরে তাকে ধাওয়া করে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয় এলাকার লোকজন।