
মঙ্গলবার ভোরে চণ্ডীগড়ের দুটি নাইট ক্লাবের বাইরে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে লরেন্স বিশনোই গ্যাং। গ্যাং সদস্য গোল্ডি ব্রার এবং রোহিত গোদারা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে এ দায় স্বীকার করে দাবি করেছেন, বিস্ফোরণের লক্ষ্যবস্তু ছিল র্যাপার বাদশার মালিকানাধীন সিলভার রেস্তোরাঁ।
চণ্ডীগড়ের ২৬ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত দুটি নাইট ক্লাবের বাইরে মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, দুই অজ্ঞাত বাইকার নাইট ক্লাবের দিকে বিস্ফোরক নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, কম ক্ষমতার এই বিস্ফোরণে কেউ হতাহত না হলেও ক্লাবগুলোর জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পটাশ ব্যবহার করে ঘরে তৈরি বোমার মাধ্যমে এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে পাটের দড়ি এবং অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের মতে, বিস্ফোরণের মূল উদ্দেশ্য ছিল নাইট ক্লাব মালিকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং চাঁদাবাজির চাপ দেওয়া। গ্যাং সদস্যদের দাবি, ক্লাব মালিককে চাঁদাবাজির জন্য ফোন করা হলেও তিনি তা এড়িয়ে গেছেন। এই বিস্ফোরণ তারই ফলস্বরূপ।
চণ্ডীগড় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। বোমা ডিসপোজাল স্কোয়াড এবং সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবের দল ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, বিস্ফোরণটি সন্ত্রাসের চেয়ে বেশি চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।