Advertisement

Shaksgam valley issue: শাকসগাম উপত্যকা ইস্যু 'উস্কে দিচ্ছে' ভারত, কড়া প্রতিক্রিয়া চিনের

ভারত-চিন সম্পর্ক এবং শাক্সগাম উপত্যকা নিয়ে ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া দিল চিন। চিনের রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস এই ইস্যুতে ভারতের অবস্থানকে ‘অযথা হাইপ’ বা অতিরঞ্জন বলে উল্লেখ করেছে এবং সতর্কবার্তা দিয়েছে।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 14 Jan 2026,
  • अपडेटेड 6:08 PM IST
  • ভারত-চিন সম্পর্ক এবং শাক্সগাম উপত্যকা নিয়ে ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া দিল চিন।
  • চিনের রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস এই ইস্যুতে ভারতের অবস্থানকে ‘অযথা হাইপ’ বা অতিরঞ্জন বলে উল্লেখ করেছে এবং সতর্কবার্তা দিয়েছে।

ভারত-চিন সম্পর্ক এবং শাক্সগাম উপত্যকা নিয়ে ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া দিল চিন। চিনের রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস এই ইস্যুতে ভারতের অবস্থানকে ‘অযথা হাইপ’ বা অতিরঞ্জন বলে উল্লেখ করেছে এবং সতর্কবার্তা দিয়েছে।

বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে গ্লোবাল টাইমস জানায়, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নতির ইঙ্গিত এবং প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর শান্তি বজায় রাখার যৌথ সদিচ্ছা থাকলেও, এই মুহূর্তে সীমান্ত পরিস্থিতি সঠিকভাবে পরিচালনা এবং দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বাড়ানোই হওয়া উচিত প্রধান লক্ষ্য।

চিনা বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শাক্সগাম উপত্যকা নিয়ে ভারতের নতুন করে আগ্রহ আসলে সীমান্ত প্রশ্ন এবং চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (CPEC) সম্পর্কে কিছু ভারতীয় কর্মকর্তার ‘ভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি’র প্রতিফলন। বিশেষজ্ঞদের মতে, যখন সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব কূটনৈতিক স্তরে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন, তখন এ ধরনের মন্তব্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জেনারেল দ্বিবেদী নিজেই বলেছেন যে ভারত ও চিনের নেতৃত্ব সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে আগ্রহী এবং আস্থার ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে উভয় পক্ষই সেনা পুনর্বিন্যাস করেছে। তিনি উত্তর সীমান্তে পরিস্থিতি আপাতত স্থিতিশীল থাকলেও সার্বক্ষণিক সতর্কতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

ভারতের সার্বভৌমত্বের অবস্থান
তবে একইসঙ্গে সেনাপ্রধান শাক্সগাম উপত্যকা নিয়ে ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে ১৯৬৩ সালের সীমান্ত চুক্তিকে ভারত ‘অবৈধ’ বলে মনে করে এবং ওই অঞ্চলে কোনও ধরনের কার্যকলাপকে নয়াদিল্লি স্বীকৃতি দেয় না।

ভারত বরাবরই বলে আসছে, সিপিইসি পাকিস্তানের অবৈধ দখলদারিত্বাধীন ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে গিয়েছে, যা ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসের কোনও জায়গা রাখে না। তা সত্ত্বেও এলএসি-তে উত্তেজনা এড়াতে চিনের সঙ্গে সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত।

সিপিইসি নিয়ে চিনের পাল্টা যুক্তি
এই প্রসঙ্গে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং আগেই মন্তব্য করেছিলেন যে বিতর্কিত অঞ্চলটি চিনের অংশ এবং নিজের ভূখণ্ডে অবকাঠামো উন্নয়নের অধিকার বেইজিংয়ের রয়েছে। তিনি বলেন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে চিন ও পাকিস্তান ষাটের দশকেই সীমান্ত চুক্তি করেছে এবং সিপিইসি মূলত একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রকল্প, যার লক্ষ্য উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান উন্নত করা।

Advertisement

মাও আরও দাবি করেন, চিন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি বা সিপিইসি কোনওভাবেই কাশ্মীর ইস্যুতে চিনের ঘোষিত অবস্থানকে প্রভাবিত করে না।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে শুরু হওয়া সিপিইসি চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। এই করিডোর পাকিস্তানের গোয়াদর বন্দরকে চিনের জিনজিয়াং প্রদেশের কাশগরের সঙ্গে যুক্ত করে এবং জ্বালানি, পরিবহণ, শিল্প ও কৃষি-সহ একাধিক ক্ষেত্রে বিস্তৃত।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement