
বলিউডের স্পাই থ্রিলার ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ শুরু থেকেই বক্স অফিসে নতুন রেকর্ড গড়ছে। তবে রণবীর সিং অভিনীত এই ছবিটি ঘিরে জনমত বিভক্ত হয়ে পড়েছে। অনেকেই ছবিটিকে প্রোপাগান্ডা ফিল্ম বলে সমালোচনা করছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম AIMIM নেতা ওয়ারিস পাঠান, যিনি ছবিটি নিষিদ্ধ করারও দাবি তুলেছেন।
ওয়ারিস পাঠানের অভিযোগ, এই ছবিটি মিথ্যার উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং দেশে ঘৃণা ছড়ানোর উদ্দেশে বানানো হয়েছে। তিনি বলেন, 'কিছু মানুষ শুধুমাত্র অর্থ উপার্জনের জন্য ঘৃণা ও মিথ্যা ছড়াচ্ছে। সরকার এই ধরনের ছবির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করুক।'
এর আগে কংগ্রেস সাংসদ তারিক আনওয়ারও ছবিটির তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর দাবি, এই ছবির মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক বিভাজন বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, 'ছবির নির্মাতারা ঘৃণা ছড়ানোর দায়িত্ব নিয়েছেন। এটি একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে হিংসার চিত্র তুলে ধরছে।' তিনি আরও অভিযোগ করেন, ছবিটি শাসক দলের রাজনৈতিক আদর্শকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশে তৈরি।
তবে সমালোচনার মাঝেই ছবিটির পক্ষে কথা বলেছেন জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের প্রাক্তন DG এসপি ভায়েড। তাঁর মতে, ছবিটি কঠিন বাস্তবতাকে তুলে ধরেছে। তিনি বলেন, 'সত্য সবসময় কঠিন হয়। আতিক আহমেদ একজন গ্যাংস্টার ছিলেন। এটা সবাই জানে। তাঁর পাকিস্তানের সঙ্গে যোগসূত্র ছিল বলেও জানা।'
পরিচালক আদিত্য ধরের এই ছবিটি বক্স অফিসে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখাচ্ছে। দ্বিতীয় দিনে ছবিটি প্রায় ৭৪-৭৬ কোটি টাকা আয় করেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রথম দিন ১৪৬ কোটি টাকার বিশাল ওপেনিংয়ের পর শনিও রবিবার আরও ভাল ব্যবসার ইঙ্গিত মিলেছে। প্রথম সপ্তাহেই বিশ্বব্যাপী ৫০০ কোটির ক্লাবে ঢওকার লক্ষ্যে এগোচ্ছে ছবিটি।
ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ একটি হাই স্টেক জিওপলিটিক্যাল অ্যাকশন থ্রিলার, যেখানে রণবীর সিং অভিনয় করেছেন ভারতীয় গুপ্তচর হামজা আলি মাজারির ভূমিকায়। যিনি পাকিস্তানের সন্ত্রাস অপরাধ জালের মধ্যে প্রবেশ করেন। ছবিতে এছাড়াও অভিনয় করেছেন আর মাধবন, সঞ্জয় দত্ত, অর্জুন রামপাল এবং রাকেশ বেদি।