Advertisement

CJS Chandrachud: 'উমর খলিদের জামিন পাওয়া উচিত', সওয়াল প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের

CJS Chandrachud: চন্দ্রচূড় স্পষ্ট বলেন, কেউ বিচার শুরুর আগেই বছরের পর বছর জেলে কাটালে সেই সময় আর কোনওভাবে ফেরত দেওয়া যায় না। তাই জামিন অস্বীকার করা উচিত কেবল তিনটি ক্ষেত্রেই।

'জামিন পাওয়া অধিকার' উমর খালিদ কেস নিয়ে বললেন প্রাক্তন CJS'জামিন পাওয়া অধিকার' উমর খালিদ কেস নিয়ে বললেন প্রাক্তন CJS
Aajtak Bangla
  • জয়পুর,
  • 18 Jan 2026,
  • अपडेटेड 9:30 PM IST

CJS Chandrachud: জয়পুর লিটারেচার ফেস্টিভালে অংশ নিয়ে ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ডি.ওয়াই. চন্দ্রচূড় আবারও স্মরণ করালেন, ভারতীয় আইনের মূল ভিত্তি হল “প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত অপরাধী নন।” তাঁর কথায়, আদালতে দোষ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত জামিন পাওয়া অভিযুক্তের মৌলিক অধিকার।

চন্দ্রচূড় স্পষ্ট বলেন, কেউ বিচার শুরুর আগেই বছরের পর বছর জেলে কাটালে সেই সময় আর কোনওভাবে ফেরত দেওয়া যায় না। তাই জামিন অস্বীকার করা উচিত কেবল তিনটি ক্ষেত্রেই। প্রথমত সমাজ বা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুরুতর হুমকি থাকলে, দ্বিতীয়ত পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে কিংবা তৃতীয়ত ৩২ প্রমাণ নষ্ট করার সম্ভাবনা থাকলে।

উমর খালিদ প্রসঙ্গে কী বললেন
আলোচনায় উঠে আসে উমর খালিদের প্রসঙ্গও। তিনি প্রায় পাঁচ বছর ধরে বিচার না হয়েই জেলবন্দি। সরাসরি মামলার বিষয়ে মন্তব্য না করলেও চন্দ্রচূড় বলেন, “অতিরিক্ত বিচার-পূর্ব আটক সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। দ্রুত বিচারই অধিকার।”

আরও পড়ুন

তিনি আরও জানান, জাতীয় নিরাপত্তার মামলায় আদালতকে আরও সতর্ক ও গভীর বিশ্লেষণ করতে হয়। কিন্তু শুধু ‘নিরাপত্তা’ শব্দটিকে সামনে রেখে অনির্দিষ্টকাল আটক রাখা চলতে পারে না।

নিম্ন আদালতগুলির ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ
চন্দ্রচূড় উল্লেখ করেন, নিম্ন আদালতগুলিতে জামিন প্রত্যাখ্যানের প্রবণতা বাড়ছে। ফলে মামলা পৌঁছতে বাধ্য হচ্ছে উঁচু আদালতে। তাঁর ভাষায়, “বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা রাখতে হলে আইনের নিয়ম মানতেই হবে। জনদাবি বা আবেগ নয়, আদালতের একমাত্র পথ প্রমাণ।”

নিজের দায়িত্বকালে সুপ্রিম কোর্ট ২১,০০০-রও বেশি জামিন আবেদন শুনেছে বলে জানান তিনি। তাঁর মতে, বিচার শুরু হওয়ার আগেই আটক রাখাকে ‘শাস্তি’তে পরিণত করা উচিত নয়।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement