Advertisement

Fake Passport Case: ভুয়ো ঠিকানায় পাসপোর্ট! ফরিদাবাদে পুলিশের গাফিলতি ফাঁস, ৩৯জনের বিরুদ্ধে মামলা

Fake Passport Case: ২৩ জানুয়ারি ২০২৩, ফরিদাবাদের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সন্দেহ হয় যে শহরের জওহর কলোনির কিছু বাসিন্দা ভুয়ো ঠিকানা ব্যবহার করে পাসপোর্ট বানিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, পাসপোর্ট দফতর পুলিশের কাছে ৩৯ জন সন্দেহভাজনের তালিকা পাঠায় ও তদন্তের অনুরোধ জানায়।

ভুয়ো ঠিকানায় পাসপোর্ট! ফরিদাবাদে পুলিশের গাফিলতি ফাঁস, ৩৯জনের বিরুদ্ধে মামলাভুয়ো ঠিকানায় পাসপোর্ট! ফরিদাবাদে পুলিশের গাফিলতি ফাঁস, ৩৯জনের বিরুদ্ধে মামলা
Aajtak Bangla
  • ফরিদাবাদ,
  • 10 Feb 2025,
  • अपडेटेड 1:14 AM IST

Fake Passport Case: ফরিদাবাদে আবারও পাসপোর্ট জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। ভুয়ো ঠিকানা ব্যবহার করে পাসপোর্ট বানানোর অভিযোগে ৩৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, পাশাপাশি ১৩ জন পুলিশকর্মীর গাফিলতির বিষয়টিও প্রকাশ্যে এসেছে। যাঁদের মধ্যে একজন প্রাক্তন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (SHO) রয়েছেন। এই ঘটনায় জড়িত পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের সুপারিশ করা হয়েছে।

কীভাবে ফাঁস হলো চক্রান্ত?
২৩ জানুয়ারি ২০২৩, ফরিদাবাদের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সন্দেহ হয় যে শহরের জওহর কলোনির কিছু বাসিন্দা ভুয়ো ঠিকানা ব্যবহার করে পাসপোর্ট বানিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, পাসপোর্ট দফতর পুলিশের কাছে ৩৯ জন সন্দেহভাজনের তালিকা পাঠায় ও তদন্তের অনুরোধ জানায়।

তদন্তে উঠে আসে ভয়াবহ তথ্য—এদের সবার পাসপোর্ট ভুয়া ঠিকানার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে! ফরিদাবাদ পুলিশের এসিপি (তিগাঁও) জানিয়েছেন, পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় জালিয়াতি হয়েছে এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা যথাযথ তদন্ত করেননি।

আরও পড়ুন

যেসব পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে
FIR অনুযায়ী, হেড কনস্টেবল সত্যেন্দ্র, EHC দিলদার, কনস্টেবল রাকেশ, কনস্টেবল অমন এবং কনস্টেবল রাকেশ পাসপোর্ট যাচাই করার নিয়ম ঠিকমতো মানেননি। প্রাক্তন SHO উপ-নিরীক্ষক (SI) গুনপাল ও SI রামকিষণ ভেরিফিকেশন ফর্মে স্বাক্ষর করেছিলেন, যদিও সেটি যাচাই করা হয়নি।

এছাড়া, লেডি সাব-ইনস্পেক্টর পবিত্রা, সাব-ইনস্পেক্টর অরবিন্দ মোহন ও এসআই সন্দীপও যথাযথ তদন্ত করেননি। কনস্টেবল সুনীলের বিরুদ্ধেও নথিপত্র যাচাইয়ে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে।

আগেও ঘটেছে একই ধরনের ঘটনা
এটাই প্রথম নয়! জুন ২০২৩-এ মুজেসর থানা এলাকাতেও ঠিক এমনই এক ঘটনা ঘটেছিল, তবে পুলিশ এখনো সেই মামলার মূল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। নভেম্বর ২০২৩-এও একই ধরনের ভুয়া ঠিকানার ভিত্তিতে পাসপোর্ট ইস্যুর ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছিল।

সারণ থানার SHO, ইন্সপেক্টর কৃষ্ণ কুমার জানিয়েছেন, "ভুয়া ঠিকানায় পাসপোর্ট বানানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত চলছে, এবং এটি কোনো বড় চক্রের কাজ কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।"

Advertisement

এই ঘটনার পর, ফরিদাবাদ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এত বড় জালিয়াতি কীভাবে এতদিন ধরা পড়েনি? সাধারণ নাগরিকরা ন্যায্য আইনি পদ্ধতিতে পাসপোর্ট পেতে দেরি করেন, অথচ অসাধু উপায়ে কিছু মানুষ সহজেই তা পেয়ে যাচ্ছেন! এখন দেখার বিষয়, এই চক্রের মূল হোতাদের পাকড়াও করতে পারে কি না ফরিদাবাদ পুলিশ।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement