
বিহার, হরিয়ানা এবং ওড়িশার ১১টি রাজ্যসভা সিটের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। আর এই ৩ রাজ্যে বিজেপি পরিচালিত এনডিএ বিরাট জয় পেয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিজেপির স্ট্র্যাটেজি এতটাই ভাল ছিল যে আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব এবং মিমের আসাউদ্দীন ওয়াইসির দাঁত ফোঁটাতেও পারেনি। এমনকী ওড়িশাতে কংগ্রেস এবং বিজেডি জোটও ব্যর্থ হয়েছে।
এই তিন রাজ্যে ১১টি রাজ্যসভা কেন্দ্রে ৯টিতেই জিতেছে এনডিএ। মাত্র ২টি সিট জিতেছে বিরোধীরা। এনডিএ-এর ১১টি আসনের মধ্যে ৫টি জিতেছে বিজেপি। ৪টি জিতেছে বিজেপির জোট সঙ্গীরা। তার মধ্যে কংগ্রেস এবং বিজেডি ১টি করে সিট জিতেছে। সোমবারের রাজ্যসভা ভোটের ফলাফলে এমনটাই দেখা গিয়েছে।
১০টি রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভা কেন্দ্রে ভোট হয়েছে। ৭টি রাজ্য থেকে ২৬টি রাজ্যসভা কেন্দ্রে কোনও বিরোধীতা ছাড়াই জিতেছে প্রার্থীরা। আর সোমবার ১১টি সিটে ভোট হয়। সেখানেও বিজেপির বড় জয় হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে অবশেষে ৩৭টি সিটের মধ্যে বিজেপি-এর এনডিএ ২২ সিটে জিতেছে। অপরদিকে ১৫টিতে জিতেছে বিরোধীরা।
কোথায় কারা জিতল?
৩৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচন হয়েছে। সেখানে ২৬টিতে কোনও ভোট হয়নি। প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয় পেয়েছেন এই সব প্রার্থীরা। এই ২৬টির মধ্যে ১৩টি এনডিএ জিতেছে। আর বিরোধীরা জিতেছে ১৩টি আসন।
আর হরিয়ানা, বিহার এবং ওড়িশা থেকে ৯টি আসন জিতেছে এনডিএ। মাত্র ২টি সিট জিতেছে বিরোধীরা। এমন পরিস্থিতিতে মোট ৩৭টি সিটের মধ্যে ২২টি জিতেছে এনডিএ। আর বাদবাকি ১৫টি জিতেছে বিরোধীরা।
এনডিএ-এর ২২টি সিটের মধ্যে ১৩টি জিতেছে বিজেপি। জেডিইউ পেয়েছে ২টি। শিন্দের শিবসেনা ১টি, অজিত পাওয়ারের এনসিপি ১টি, পিএমকে ১টি, এআইডিএমকে ১টি, ইউপিপিএল ১টি, আরএলএসএম ১টি এবং বিজেপির সহয়তায় একজন নির্দল প্রার্থী জয় পেয়েছেন।
ও দিকে রাজ্যসভার ১৫টি বিরোধী আসনের মঘ্যে কংগ্রেস জিতেছে ৬টি, তৃণমূল ৪টি, ডিএমকে ৩টি, শরদ পাওয়ারের এনসিপি এবং বিজেডি ১টি করে সিট পেয়েছে।
কার লাভ, কার ক্ষতি?
এই ইলেকশনের আগে ১২টি রাজ্যভসভা ছিল এনডিএ-এর। কিন্তু এখন তাদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২। ওদিকে বিরোধীরা আগে ২৫টা সিটে জিতেছিল। এখন কমে দাঁড়াল ১৫। অর্থাৎ অনেকটাই এগিয়ে গেল এনডিএ। বিজেপির স্ট্র্যাটেজির কাছে খাতাই খুলতে পারল না বিরোধীরা।