Advertisement

General Anil Chauhan: অপারেশন সিঁদুরের আঘাতে পাকিস্তানের সেনা কাঠামো ওলটপালট, পরোক্ষে হার মেনেছে ইসলামাবাদ 

অপারেশন সিঁদুর যে পাকিস্তানের পক্ষে মোটেই স্বস্তিকর ছিল না, তা তাদের সাম্প্রতিক সামরিক ও সাংগঠনিক রদবদলেই স্পষ্ট, এমনই মন্তব্য করলেন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান। শুক্রবার পুনে পাবলিক পলিসি ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, 'ভারতের এই অভিযানের পর পাকিস্তান যেভাবে তাদের উচ্চ প্রতিরক্ষা কাঠামো ঢেলে সাজিয়েছে, তা কার্যত সংঘাতে পরাজয়ের পরোক্ষ স্বীকারোক্তি।'

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 10 Jan 2026,
  • अपडेटेड 12:24 PM IST
  • অপারেশন সিঁদুর যে পাকিস্তানের পক্ষে মোটেই স্বস্তিকর ছিল না, তা তাদের সাম্প্রতিক সামরিক ও সাংগঠনিক রদবদলেই স্পষ্ট, এমনই মন্তব্য করলেন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান।
  • শুক্রবার পুনে পাবলিক পলিসি ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, 'ভারতের এই অভিযানের পর পাকিস্তান যেভাবে তাদের উচ্চ প্রতিরক্ষা কাঠামো ঢেলে সাজিয়েছে, তা কার্যত সংঘাতে পরাজয়ের পরোক্ষ স্বীকারোক্তি।'

অপারেশন সিঁদুর যে পাকিস্তানের পক্ষে মোটেই স্বস্তিকর ছিল না, তা তাদের সাম্প্রতিক সামরিক ও সাংগঠনিক রদবদলেই স্পষ্ট, এমনই মন্তব্য করলেন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান। শুক্রবার পুনে পাবলিক পলিসি ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, 'ভারতের এই অভিযানের পর পাকিস্তান যেভাবে তাদের উচ্চ প্রতিরক্ষা কাঠামো ঢেলে সাজিয়েছে, তা কার্যত সংঘাতে পরাজয়ের পরোক্ষ স্বীকারোক্তি।'

জেনারেল চৌহানের বক্তব্য অনুযায়ী, অপারেশন সিঁদুরের পর পাকিস্তান জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান পদ তুলে দিয়ে ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস’ পদ চালু করেছে। পাশাপাশি গঠন করা হয়েছে ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি কমান্ড এবং আর্মি রকেট ফোর্সেস কমান্ড। এর ফলে স্থল, যৌথ এবং কৌশলগত সামরিক ক্ষমতা কার্যত এক ব্যক্তির হাতেই কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। সিডিএসের কটাক্ষ, এই অতিরিক্ত কেন্দ্রীয়করণ মূল সামরিক নীতির পরিপন্থী এবং এটি পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর ‘স্থলভিত্তিক মানসিকতা’র প্রতিফলন। তাঁর মতে, ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থাই পাক সেনার অন্দরে গুরুতর সমস্যার জন্ম দিতে পারে।

ভারতের নিজস্ব সামরিক কাঠামোয় অপারেশন সিঁদুরের প্রভাব প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠলে জেনারেল চৌহান স্পষ্ট করেন, তিনি সরাসরি তিন বাহিনীর প্রধানদের নির্দেশ দেন না। তবে সিডিএস হিসেবে তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সামগ্রিক অপারেশনাল দায়িত্ব। চিফস অব স্টাফ কমিটির স্থায়ী চেয়ারম্যান হিসেবে সব সিদ্ধান্তই যৌথ আলোচনার মাধ্যমে নেওয়া হয়, যাতে সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যায়।

তিনি আরও জানান, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে মহাকাশ, সাইবার, ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও কগনিটিভ ওয়ারফেয়ারের মতো নতুন ক্ষেত্রগুলির তদারকি সরাসরি সিডিএসের আওতায়। পাশাপাশি ইন্টিগ্রেটেড ডিফেন্স স্টাফের অধীনে বিভিন্ন বিশেষ বাহিনীও কাজ করে চলেছে।

ভবিষ্যৎ যুদ্ধের চরিত্র ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সিডিএস বলেন, বিশ্বজুড়ে সামরিক কৌশলে বড় পরিবর্তন আসছে। তাঁর কথায়, 'এক সময় পানিপথ থেকে পলাশী, ভূগোলই যুদ্ধের গতিপথ ঠিক করত। এখন প্রযুক্তিই কৌশলের চালিকাশক্তি।' তবে তিনি এটাও মনে করিয়ে দেন যে, ভবিষ্যতের সংঘাত অনেকটাই নন-কন্ট্যাক্ট ও নন-কাইনেটিক হলেও, পাকিস্তান ও চিনের সঙ্গে বিতর্কিত সীমান্তে প্রচলিত স্থলযুদ্ধ এখনও নিষ্ঠুর ও জনবলনির্ভর। তাই ভারতের প্রস্তুতি থাকতে হবে দুই দিকেই, প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট যুদ্ধের জন্য যেমন, তেমনই প্রয়োজনে দীর্ঘস্থায়ী সংঘর্ষের জন্যও।

Advertisement

অপারেশন সিঁদুরের পাশাপাশি উরি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, ডোকলাম ও গালওয়ান সংঘর্ষ এবং বালাকোট বিমান হানার অভিজ্ঞতা থেকে ভারতের উচ্চ প্রতিরক্ষা সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পেয়েছে বলেও জানান জেনারেল চৌহান। তাঁর দাবি, ওই সব অভিযানে পরিস্থিতিভিত্তিক ও নতুন কমান্ড ব্যবস্থার প্রয়োগ হয়েছিল। এখন লক্ষ্য, এমন একটি শক্তিশালী ও নমনীয় কাঠামো গড়ে তোলা, যা যে কোনও সংকটে দ্রুত ও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা যাবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement