Advertisement

জিমে হিন্দু মেয়েদের অশ্লীল ভিডিও তুলে প্রেমের ফাঁদ, পুলিশের জালে ৪ মুসলিম ট্রেনার

উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। জিমের মধ্যে হিন্দু মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাঁদের ধর্মান্তকরণের চাপ দিত মুসলিম যুবকেরা! এরইসঙ্গে শহরের নামীদামি জিমগুলিতে মহিলাদের অশ্লীল ভিডিও রেকর্ড করে তাঁদেরকে ব্ল্যাকমেল ও যৌন প্রস্তাবে সাড়া দিতে বাধ্য করা হত বলেও অভিযোগ উঠেছে।

জিমে হিন্দু মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টাজিমে হিন্দু মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা
Aajtak Bangla
  • লখনউ,
  • 21 Jan 2026,
  • अपडेटेड 2:07 PM IST
  • হিন্দু মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা
  • মহিলাদের অশ্লীল ভিডিও রেকর্ড করে তাঁদেরকে ব্ল্যাকমেল করা হত।
  • পুলিশ ইতিমধ্যেই চারটি জিম সিল করে দিয়ে ৪ অভিযুক্তকে পাকড়াও করেছে।

উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। জিমের মধ্যে হিন্দু মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাঁদের ধর্মান্তকরণের চাপ দিত মুসলিম যুবকেরা! এরইসঙ্গে শহরের নামীদামি জিমগুলিতে মহিলাদের অশ্লীল ভিডিও রেকর্ড করে তাঁদেরকে ব্ল্যাকমেল ও যৌন প্রস্তাবে সাড়া দিতে বাধ্য করা হত বলেও অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতিতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ইতিমধ্যেই চারটি জিম সিল করে দিয়ে ৪ অভিযুক্তকে পাকড়াও করেছে।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, মির্জাপুর  শহরের কেজিএন এবং আয়রন ফায়ার জিমে এমন ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের দাবি, জিমে ট্রেনার হিসেবে থাকা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের কিছু যুবক প্রথমে মেয়েদের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও পরে ধীরে ধীরে তাঁদের প্রেমের ফাঁদে ফেলত। জিমে থাকাকালীন মেয়েদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তুলে নিত ওই যুবকেরা। এরপর সেই ছবি এবং ভিডিওগুলি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্মান্তরিত হতে চাপ দেওয়া হত বলে অভিযোগ।

দুটি মেয়ে নগর কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর পুরো ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের কাজ করছে। শুধু এই দুটি জিম নয়, এর আগে একাধিক জিমে ওই কাণ্ড ঘটিয়েছে অভিযুক্ত যুবকেরা। তদন্তে নেমে পুলিশ কেজিএন-১, কেজিএন-২, কেজিএন-৩ এবং আয়রন ফায়ার জিম সিল করে দেয়।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় মহাম্মদ শেখ আলি এবং ফয়জল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি জাহির ও সাদাবকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এদের মধ্যে জাহিরকে কেজিএন-১ জিমের মালিক। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ও আটক সব অভিযুক্তই আসলে বিভিন্ন জিমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি নেটওয়ার্ক চালাচ্ছিল। তাদেরকে পাকড়াও করে বিস্তারিত তদন্ত চালানো হচ্ছে। ঘটনায় মির্জাপুর শহরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement