
দোকানে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ গেল ২ শিশু-সহ ৬ জনের। একজন বৃদ্ধাও মারা গিয়েছেন। ঘটনা হায়দরাবাদের নামপল্লির। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আশপাশের এলাকায়।
নামপল্লির ওই চারতলা বিল্ডিংয়ে আগুন লাগে শনিবার। খবর পেয়ে দমকল আসে সেখানে। ভিতরে আটকে পড়া লোকজনকে উদ্ধার করতে তৎপর হয় প্রশাসন। কিন্তু ভিতর থেকে ৫ জনের দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহগুলোকে ওসমানিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরে যদিও আরও একজনের দগ্ধ দেহ উদ্ধার হয় ভিতর থেকে।
মৃতদের নাম বেবি(৪৫), অখিল (১১), প্রণীত (৮), ইমতিয়াজ(২৮), হাবিব (৩২)। পরে যাঁর দেহ উদ্ধার হয় তাঁর পরিচয় প্রথমে জানা যায়নি। কিন্তু পরে জানা যায়, তিনি পেশায় একজন গাড়িচালক।
পুলিশ এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের পর জানিয়েছে, ওই দোকানে ঠাসাঠাসি করে আসবাবপত্র রাখা ছিল। অগ্নি নির্বাপক আইনও মানা হয়নি। আগুন লাগার পরে পরে তা ছড়িয়ে পড়ে। নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা হলেও সম্ভব হয়নি।
তেলাঙ্গানার বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, দোকানে এত বেশি কাঠ ও রেক্সিনের জিনিসপত্র ছিল যে, আগুন দ্রুত ছড়ায়। দোকান পাহারা দেওয়ার জন্য একটা ছোটো ঘরে থাকত নিরাপত্তারক্ষী ও তার পরিবার। তাদের সব্বার প্রাণ চলে যায় এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে।
আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বেসমেন্টে যাওয়ার য়ে রাস্তাটি ছিল তা বন্ধ ছিল। ফলে উদ্ধারকার্য শুরু হতে দেরি হয়। প্রায় ২২ ঘণ্টা পরে দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে দোকানের মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।