
আহমেদাবাদে গত বছর এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ভেঙে পড়েছিল। মারা গিয়েছিলেন ২০০-র বেশি মানুষ। সেটা নিছক দুর্ঘটনা নয়। ইতালির দৈনিক 'কোরিয়ের ডেলা সেরা'র একটি প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছ। তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিবৃতি জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার।
কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, যে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে তা অনুমানের উপর ভিত্তি করে। এর সঙ্গে বাস্তবের কোনও সম্পর্ক নেই। AAIB (Aircraft Accident Investigation Bureau) জানিয়েছে, দুর্ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। ফলে এখনই কোনও ব্যক্তি বা কারণকে দোষারোপ করা ঠিক হবে না। তদন্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কোনওকিছুতে কান দেওয়া উচিত নয়।
তাদের তরফে আরও জানানো হয়েছে, বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত জটিল এবং প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া। এর মধ্যে ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার, ককপিট ভয়েস রেকর্ডার, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ, আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং অন্য অনেক বিষয়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা জড়িত। অতএব, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
ইতালির ওই সংবাদপত্র দাবি করে, আহমেদাবাদ দুর্ঘটনার আগের মুহূর্তে বিমানটি যখন উপরে ওঠার জন্য গতি পাচ্ছে, তখনই দুটি ইঞ্জিনের জ্বালানি কাটঅফ মোডে চলে যায়। ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
প্রসঙ্গত, গত বছর গুজরাতের রাজধানী আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনায় ২৬০ জন প্রাণ হারান। এর মধ্যে ২৪১ জন বিমানে ছিলেন। দুর্ঘটনার পর বেঁচে ছিলেন প্লেনে থাকা মাত্র একজন।