Advertisement

যুদ্ধ বিমান সংকটে এয়ারফোর্স, রাফাল নিয়ে ফের ফ্রান্সের সঙ্গে চুক্তির পথে ভারত

যুদ্ধবিমান সংকটে ভুগছে ভারতীয় বায়ুসেনা। আর সেই কারণেই আরও বেশি সংখ্যক যুদ্ধবিমান কিনতে ফ্রান্সের সঙ্গে ফের চুক্তির পথে যেতে চাইছে নয়াদিল্লি। সূত্রের দাবি, যুদ্ধবিমান নিয়ে আলোচনায় জোর দেওয়া হয়েছে।

ভারত ফ্রান্স রাফাল চুক্তিভারত ফ্রান্স রাফাল চুক্তি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 11 Jan 2026,
  • अपडेटेड 1:35 PM IST
  • আরও বেশি সংখ্যক যুদ্ধবিমান কিনতে ফ্রান্সের সঙ্গে ফের চুক্তির পথে যেতে চাইছে নয়াদিল্লি।
  • ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ভারত সফরের আগে ফলো-অন রাফাল চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে।
  • গত কয়েকবছর ধরে ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে যুদ্ধবিমান কমছে।

যুদ্ধবিমান সংকটে ভুগছে ভারতীয় বায়ুসেনা। আর সেই কারণেই আরও বেশি সংখ্যক যুদ্ধবিমান কিনতে ফ্রান্সের সঙ্গে ফের চুক্তির পথে যেতে চাইছে নয়াদিল্লি। সূত্রের দাবি, যুদ্ধবিমান নিয়ে আলোচনায় জোর দেওয়া হয়েছে। রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ভারত সফরের আগে ফলো-অন রাফাল চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে।

আসলে গত কয়েকবছর ধরে ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে যুদ্ধবিমান কমছে। আর তা নিয়ে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। প্রতিরক্ষা সূত্রের মতে, ফ্রান্স থেকে আরও রাফাল বিমান কেনার জন্য আলোচনা চালানো হচ্ছে। বিশেষ বিষয় হল, কোনও কোম্পানি নয় সরাসরি ভারত সরকারের সঙ্গে ফ্রান্স সরকারের এই আলোচনা চলছে।

বিশেষ বিষয় হল, বর্তমানে ভারতীয় বিমান বাহিনীর স্কোয়াড্রনের সংখ্যা ৪২.৫ স্কোয়াড্রনের অনুমোদিত শক্তির থেকে নেমে ২৯-এ এসে ঠেকেছে। চিন ও পাকিস্তানের দিকে নজর রেখে পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মানছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রতিরক্ষা আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, গত বছর মিগ-২১-কে বিদায় জানানোর পর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে গিয়েছে। অপারেশন সিন্দুরের সময়ও এই ত্রুটি কিছুটা ধরা পড়েছিল।

দ্রুত 'রোগ সারাচ্ছে' ভারত

ভারত ইতিমধ্যেই নৌবাহিনীর জন্য ২৪টি রাফাল-এম বিমানের চুক্তি কনফার্ম করেছে। ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে শিল্প সহযোগিতাও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস লিমিটেড (TASL) এবং ডাসাল্ট এভিয়েশন হায়দ্রাবাদে রাফালে বিমানের ফিউজলেজ সেকশন তৈরির জন্য পার্টনারশিপ করেছে। এই প্ল্যান্টটি ২০২৮ সালের প্রথম দিকেই যন্ত্রাংশ সরবরাহ শুরু করতে পারে। এরফলে মেক ইন ইন্ডিয়ার আওতায় দেশেই যুদ্ধবিমান প্রস্তুত হতে পারবে।

ম্যাক্রোঁর সফরের দিকে নজর থাকবে

এই মুহূর্তে ফ্রান্সের সঙ্গে ভারতের আলোচনা হলেও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার সম্ভাবনা অবশ্য নেই। সেক্ষেত্রে ম্যাক্রোঁর সফরের দিকে নজর থাকবে। তবে যে কোনও চূড়ান্ত চুক্তির জন্য DAC অনুমোদন, খরচ আলোচনা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (CCS) অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। তারপরই এই বিমান চুক্তি হতে পারে।

Advertisement

বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং-ও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মিগ -২১-এর মতো পুরনো বিমানগুলির অবসর গ্রহণের ফলে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তা এমকে১এ-তে দেরির জন্য আরও প্রকট হয়ে গিয়েছে। এর ফলে বিমান বাহিনীকে রাফালের মতো সমাধানের উপর আরও বেশি নির্ভর করতে হচ্ছে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement