Advertisement

Pranay Verma Bangladesh Visit: বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের, কী নিয়ে আলোচনা?

Pranay Verma Bangladesh Visit: এছাড়া হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ-এর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেখানে দুই প্রতিবেশী দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, শিক্ষার্থী বিনিময় ও ব্যবসায়িক সংযোগ বৃদ্ধির প্রসঙ্গ গুরুত্ব পেয়েছে।

Pranay Verma Bangladesh Visit: বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ভারতীয় হাইকমিশনারেরPranay Verma Bangladesh Visit: বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ভারতীয় হাইকমিশনারের
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 22 Feb 2026,
  • अपडेटेड 10:26 PM IST

Pranay Verma Bangladesh Visit: ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন পর্বের ইঙ্গিত মিলল ঢাকায় বৈঠকে। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা আজ ঢাকায় বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান-এর সঙ্গে বৈঠক করেন। ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে নবগঠিত সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলকভাবে কাজ করতে চায় ভারত।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পারস্পরিক স্বার্থ ও পারস্পরিক লাভের ভিত্তিতে জনগণ-কেন্দ্রিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন হাইকমিশনার। বাণিজ্য, সংযোগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, সব ক্ষেত্রেই যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বৈঠকে। দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে সামনে রেখে ভবিষ্যৎমুখী কৌশলগত সহযোগিতার কথাও উঠে আসে আলোচনায়।

এছাড়া হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ-এর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেখানে দুই প্রতিবেশী দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, শিক্ষার্থী বিনিময় ও ব্যবসায়িক সংযোগ বৃদ্ধির প্রসঙ্গ গুরুত্ব পেয়েছে।

আরও পড়ুন

ভারত বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এছাড়া সীমান্তে অবকাঠামো উন্নয়ন, একাধিক ল্যান্ড পোর্ট আধুনিকীকরণ এবং জলপথ ব্যবহারের মতো প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নতুন সরকারের সঙ্গে দ্রুত সংলাপ শুরু করা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

এই বৈঠককে দুই দেশের সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা হিসেবেই দেখছে কূটনৈতিক মহল। পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে আরও বহুমাত্রিক অংশীদারিত্ব গড়ে উঠবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement