Advertisement

India US Trade Tariff Conflict: মোদীর সঙ্গে ট্রাম্পের ৮ বার ফোনে কথা হয়েছে, আমেরিকার দাবি খারিজ দিল্লির

মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের দাবিকে সরাসরি খারিজ করল ভারত। শুক্রবার বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়ে দিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে ব্যক্তিগত যোগাযোগের কোনও ঘাটতি নেই। বরং ২০২৫ সালেই দুজনে অন্তত আটবার ফোনে কথা বলেছেন।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 09 Jan 2026,
  • अपडेटेड 5:43 PM IST
  • মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের দাবিকে সরাসরি খারিজ করল ভারত।
  • শুক্রবার বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়ে দিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে ব্যক্তিগত যোগাযোগের কোনও ঘাটতি নেই।

মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের দাবিকে সরাসরি খারিজ করল ভারত। শুক্রবার বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়ে দিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে ব্যক্তিগত যোগাযোগের কোনও ঘাটতি নেই। বরং ২০২৫ সালেই দুজনে অন্তত আটবার ফোনে কথা বলেছেন।

বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী মোদী ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। দু’জনেই সব সময় কূটনৈতিক রীতিনীতি মেনে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে কথা বলেছেন।' তাঁর কথায়, ব্যক্তিগত যোগাযোগের অভাবে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি আটকে রয়েছে, এই দাবি সম্পূর্ণ ভুল।

জয়সওয়াল আরও জানান, গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে দুই দেশের মধ্যে একাধিক দফায় আলোচনা হয়েছে। এবং একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে উপকারী বাণিজ্য চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছনো গিয়েছিল। ভারত বরাবরই দুটি পরিপূরক অর্থনীতির মধ্যে ন্যায্য ও টেকসই চুক্তির পক্ষে, সেই অবস্থানেই দেশ অনড় রয়েছে।

লুটনিক সম্প্রতি এক পডকাস্টে দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী ব্যক্তিগতভাবে ট্রাম্পকে ফোন না করায় ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি (বিটিএ) চূড়ান্ত করা যায়নি। তাঁর বক্তব্য ঘিরেই বিতর্ক দানা বাঁধে। সেই সঙ্গে দাবি ওঠে, ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ নাকি বাণিজ্যিক স্বার্থের চেয়ে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত অসন্তোষ থেকেই এসেছে।

এই প্রেক্ষিতে বিদেশ মন্ত্রকের স্পষ্ট অবস্থান, বাণিজ্য আলোচনা কখনওই ব্যক্তিগত অহং বা ফোনকলের উপর নির্ভর করে না। নীতি, পারস্পরিক স্বার্থ ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ভারসাম্যের ভিত্তিতেই আলোচনা এগোয়।

উল্লেখ্য, রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিয়ে মতবিরোধের জেরে গত বছর ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করেছিলেন ট্রাম্প। সেই ঘটনার পর থেকেই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল। তবে ভারতীয় কূটনীতিকদের বক্তব্য, মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনার পথ এখনও খোলা এবং দু’দেশই সমাধানের দিকেই এগোতে আগ্রহী। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement