Advertisement

Hampi Rape murder case: হাম্পিতে বিদেশি মহিলা ও বাড়িওয়ালিকে ধর্ষণ, পুরুষ পর্যটককে খুন; ৩ দোষীর ফাঁসির আদেশ

হাম্পির কাছে এক নৃশংস গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তিন অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে কর্নাটকের একটি আদালত। ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি গঙ্গাবতীর প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করে। পরে বিচারক সদানন্দ নাগাপ্পা নায়েক সাজা ঘোষণা করে মল্লেশ ওরফে হান্ডিমল, সাই ও শরণপ্পাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 17 Feb 2026,
  • अपडेटेड 4:48 PM IST
  • হাম্পির কাছে এক নৃশংস গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তিন অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে কর্নাটকের একটি আদালত।
  • ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি গঙ্গাবতীর প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করে।

হাম্পির কাছে এক নৃশংস গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তিন অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে কর্নাটকের একটি আদালত। ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি গঙ্গাবতীর প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করে। পরে বিচারক সদানন্দ নাগাপ্পা নায়েক সাজা ঘোষণা করে মল্লেশ ওরফে হান্ডিমল, সাই ও শরণপ্পাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

ঘটনাটি ২০২৫ সালের ৬ মার্চ রাতের। বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী হাম্পি থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে সানাপুর হ্রদের কাছে রাতের খাবারের পর কয়েকজন পর্যটক তারা দেখতে গিয়েছিলেন। দলে ছিলেন ২৭ বছরের এক ইজরায়েলি তরুণী, ২৯ বছরের এক হোমস্টে মালিক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ওড়িশা ও মহারাষ্ট্রের তিনজন পুরুষ পর্যটক। তুঙ্গভদ্রা খালের ধারে বসে তারা গিটার বাজিয়ে গান শুনছিলেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে করে তিনজন যুবক সেখানে আসে। প্রথমে তারা একটি পেট্রোল পাম্পের দিকনির্দেশ জানতে চায়, পরে টাকা দাবি করে। পর্যটকেরা অস্বীকার করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হামলাকারীরা তাদের মারধর করে এবং তিনজনকে খালে ঠেলে ফেলে দেয়।

পুরুষ পর্যটকেরা জলে প্রাণ বাঁচানোর লড়াই চালানোর সময় দু’জন অভিযুক্ত হোমস্টে মালিককে ধর্ষণ করে এবং ইজরায়েলি তরুণীকে টেনে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন চালায়। এরপর হামলাকারীরা মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুট করে পালিয়ে যায়।

দু’জন পুরুষ পর্যটক সাঁতরে প্রাণে বাঁচলেও ওড়িশার এক পর্যটক ডুবে যান। পরদিন সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয় এবং মামলায় খুনের ধারাও যুক্ত হয়।

দেশ-বিদেশের পর্যটকদের জড়িত এই নৃশংস ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। হাম্পির মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার পরপরই পুলিশ ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে কয়েক দিনের মধ্যে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। ঘটনার প্রায় এগারো মাস পর আদালতের রায়ে তিন দোষীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement