
HMP ভাইরাসে একাধিক শিশুর সংক্রমিত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। তারপর থেকে বাড়ছে আতঙ্ক। এই ভাইরাসের লক্ষণ, এতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কতখানি, আক্রান্ত হলে কী কী করণীয় তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। তারইমধ্যে HMP ভাইরাস নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা।
এই ভাইরাস নিয়ে জেপি নাড্ডা জানান, এই ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এইচএমপি নতুন কোনও ভাইরাস নয়। ২০০১ সালে এই ভাইরাস প্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল। তবে নাড্ডা জানান, সরকার সজাগ। সব পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সমস্ত রকমের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই নিয়ে গত ৪ জানুয়ারি একটা বৈঠক হয়েছে। সেখানে স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিকরা ছিলেন। তাঁদের তরফে সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্বাস্থ্য পরিকাঠামো প্রস্তুত রয়েছে। সরকার চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে সক্ষম।
বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতি দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাড্ডা স্পষ্ট করেছেন, এই ভাইরাস বহু বছর ধরে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। বাতাসের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ে। সব বয়সের মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে। শীত ও বসন্তে এই ভাইরাস বেশি ছড়ায়।
এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসার পর বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে। বিখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ কুণাল সরকার এই ভাইরাস নিয়ে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, 'সরকারের সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এখন থেকে সচেতন হতে হবে। নাগরিকদের মধ্যে সরকারের সচেতনতা বাড়াতে হবে।'
ডাঃ সরকারের আরও সংযোজন, 'এইচএমপি ভাইরাস হল একটি আরএনএ-স্ট্রেন্ডেড ভাইরাস, যা সংক্রামক। তবে কোভিড-১৯ এর মতো গুরুতর নয়। এর সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর, কাশি এবং সর্দি। যা আরটি-পিসিআর টেস্টের মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়৷'