Advertisement

Typing Test Fail Kanpur Demotion: ২৫টি শব্দ টাইপ করতে পারেন না সরকারি বাবু, পদ খুইয়ে পিওন হলেন ৩ কর্মী

Typing Test Fail Kanpur Demotion: কানপুর কালেক্টরেটে কর্মরত ছিলেন প্রেমনাথ যাদব, অমিত কুমার যাদব এবং নেহা শ্রীবাস্তব। তিনজনেই চাকরি পেয়েছিলেন ‘মৃতক আশ্রিত’ কোটায়। সরকারি নিয়ম মেনে স্থায়ীকরণের জন্য একটি টাইপিং পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল। শর্ত ছিল খুব সামান্য, মিনিটে অন্তত ২৫টি শব্দ টাইপ করতে হবে। কিন্তু এই সামান্য গতির কাছেই হার মানলেন তাঁরা।

২৫টি শব্দ টাইপ করতে পারেন না সরকারি বাবু, পদ খুইয়ে পিওন হলেন ৩ কর্মী২৫টি শব্দ টাইপ করতে পারেন না সরকারি বাবু, পদ খুইয়ে পিওন হলেন ৩ কর্মী
Aajtak Bangla
  • কানপুর,
  • 08 Apr 2026,
  • अपडेटेड 12:23 PM IST

Typing Test Fail Kanpur Demotion: গদাইলশকরি চালে কলম পিষতেই তাঁরা অভ্যস্ত ছিলেন। কিন্তু আধুনিক যুগে টাইপরাইটার বা কম্পিউটারের কি-বোর্ডে আঙুল চালানোর অনভ্যস্ততা যে তাদের কাজের প্রগতি যে এমন মুখ থুবরে পড়বে, তা হয়তো দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি কানপুরের ওই তিন সরকারি কর্মচারী। দীর্ঘদিনের বাবুগিরি এক নিমেষে শেষ। টাইপিং টেস্টে ডাহা ফেল করে পদের অবনতি হলো তাঁদের। চেয়ার-টেবিল ছেড়ে এখন তাঁদের ঠাঁই দফতরের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মী বা পিয়নের পদে।

কানপুর কালেক্টরেটে কর্মরত ছিলেন প্রেমনাথ যাদব, অমিত কুমার যাদব এবং নেহা শ্রীবাস্তব। তিনজনেই চাকরি পেয়েছিলেন ‘মৃতক আশ্রিত’ কোটায়। সরকারি নিয়ম মেনে স্থায়ীকরণের জন্য একটি টাইপিং পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল। শর্ত ছিল খুব সামান্য, মিনিটে অন্তত ২৫টি শব্দ টাইপ করতে হবে। কিন্তু এই সামান্য গতির কাছেই হার মানলেন তাঁরা। ২০২৪ সালে প্রথমবার ফেল করার পর সতর্কতামূলক ভাবে বেতন বৃদ্ধি আটকে দেওয়া হয়েছিল। ভাবা গিয়েছিল, পরের সুযোগে নিশ্চয়ই তাঁরা উতরে যাবেন। কিন্তু এক বছর পর ২০২৫-এ ফের একবার পরীক্ষা নেওয়া হলে দেখা গেল যে তিমিরে ছিলেন, সেই তিমিরেই রয়েছেন। ফলে আর কী করা? 

শেষমেশ জেলাশাসক জিতেন্দ্র প্রতাপ সিং কড়া পদক্ষেপ নিলেন। পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, ন্যূনতম টাইপিং দক্ষতা না থাকলে ফাইলের কাজ এগোবে না। ফলে নিয়ম মেনে তাঁদের জুনিয়র ক্লার্ক থেকে নামিয়ে দেওয়া হলো পিওনের পদে। কানপুর কালেক্টরেটের অলিন্দে এখন এই তিন ‘বাবু’র পতন নিয়ে জোর চর্চা। পদ খুইয়ে এখন পিওনের পোশাক পরে পুরনো সহকর্মীদের চা-জল দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় দফতরে শুরু হয়েছে কানাকানি। কর্মক্ষেত্রে ফাঁকিবাজি যে আর সইবে না, এই পদক্ষেপ যেন সেই সতর্কবার্তাই দিয়ে গেল।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement