Advertisement

BJP নেত্রীকে বিবস্ত্র করে মারধর, কর্নাটকে পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ 

কর্নাটকের হুব্বালিতে বিজেপির এক মহিলা নেত্রীকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক। গ্রেফতারের সময় পুলিশ তাঁকে বিবস্ত্র করে মারধর করেছে, এই অভিযোগ তুলেছেন ওই নেত্রী নিজেই। যদিও পুলিশের তরফে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 07 Jan 2026,
  • अपडेटेड 12:44 PM IST
  • কর্নাটকের হুব্বালিতে বিজেপির এক মহিলা নেত্রীকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক।
  • গ্রেফতারের সময় পুলিশ তাঁকে বিবস্ত্র করে মারধর করেছে, এই অভিযোগ তুলেছেন ওই নেত্রী নিজেই।

কর্নাটকের হুব্বালিতে বিজেপির এক মহিলা নেত্রীকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক। গ্রেফতারের সময় পুলিশ তাঁকে বিবস্ত্র করে মারধর করেছে, এই অভিযোগ তুলেছেন ওই নেত্রী নিজেই। যদিও পুলিশের তরফে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে।

অভিযোগকারী বিজেপি কর্মীর নাম সুজাতা, যিনি বিজয়লক্ষ্মী হান্ডি নামেও পরিচিত। তাঁর দাবি, কেশবপুর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করার সময় নৃশংসভাবে নির্যাতন করে এবং পোশাক খুলে দেয়। ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি বাসের ভিতরে মহিলা ও পুরুষ পুলিশকর্মীদের ঘিরে রয়েছেন কয়েকজন মহিলা।

ঘটনার সূত্রপাত ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ঘিরে। অভিযোগ, কেশবপুর রানা এলাকায় SIR চলাকালীন বিজেপি ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে পুরনো রাজনৈতিক বিরোধের জেরেই উত্তেজনা ছড়ায়। কংগ্রেসের কর্পোরেটর সুবর্ণা কালকুন্তলা অভিযোগ করেন, সুজাতা এলাকায় SIR-BLO আধিকারিকদের এনে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার কাজে সহায়তা করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ সুজাতাকে গ্রেফতার করে।

তবে পুলিশের বক্তব্য ভিন্ন। পুলিশের দাবি, গ্রেফতারের সময় সুজাতা বাধা দেন এবং পুলিশকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়ের করা হয়। এমনকি ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারায় (হত্যার চেষ্টা) একটি মামলাও রুজু করা হয়েছে।

এই ঘটনায় বিজেপি নেতৃত্ব পুলিশের ভূমিকার তীব্র নিন্দা করেছে। বিজেপির অভিযোগ, পুরো ঘটনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অত্যন্ত অমানবিক। অভিযুক্ত পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, হুব্বালি-ধারওয়াড়ের পুলিশ কমিশনার শশী কুমার অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন। তিনি জানান, চালুক্য নগর এলাকায় একটি সরকারি জরিপ চলাকালীন স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মতবিরোধ থেকে হাতাহাতি শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বড়সড় ভিড় জমে যায়। এই ঘটনার ভিত্তিতে তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ কমিশনার আরও জানান, ৫ জানুয়ারি এক স্থানীয় বাসিন্দার করা হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সুজাতাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি একজন ব্যক্তির উপর নৃশংস হামলা চালিয়েছিলেন। গ্রেফতারের সময় তিনি এবং তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা পুলিশের তীব্র প্রতিরোধ করেন। সেই সময় এক সাব-ইন্সপেক্টরসহ তিন থেকে চারজন পুলিশকর্মী গুরুতরভাবে আহত হন।

Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও প্রসঙ্গে শশী কুমার বলেন, 'গাড়িতে তোলার সময় তাঁর পোশাক ঠিকঠাকই ছিল। গাড়ির ভিতরে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি নিজেই পোশাক খুলে ফেলেন। পরে মহিলা পুলিশকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় তাঁকে আবার সঠিকভাবে পোশাক পরানো হয়।'

তিনি স্পষ্টভাবে জানান, পুলিশের তরফে কোনও রকম দুর্ব্যবহার করা হয়নি। কমিশনারের দাবি, সুজাতার বিরুদ্ধে মোট নটি মামলা রয়েছে, এর মধ্যে পাঁচটি আগের বছরের এবং চলতি বছরে চারটি মামলা হয়েছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement